মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি'র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন! আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি কুমিল্লার ৩ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩ কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’
  • কুমিল্লার মেঘনায় পূর্ববিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ।। ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা নিহত, আহত ৬

    কুমিল্লার মেঘনায় পূর্ববিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ।। ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা নিহত, আহত ৬
    ছবি/সংগৃহীত

    কুমিল্লার মেঘনার চালিভাঙ্গা এলাকায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে কামরুল ইসলাম নামের এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬ জন। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) চালিভাঙ্গা বাগবাজার নদীর ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক মো. কামরুল চালিভাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা থানার ওসি মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। জানা গেছে, চালিভাঙ্গা ইউপিচেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির ও জেলা পরিষদ সদস্য জেলা কাইয়ুম হোসেনের দুইটি গ্রুপ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্বে জড়িত রয়েছে। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নে কাইয়ুম গ্রুপ ও চেয়ারম্যান হুমায়ুন গ্রুপের সংঘর্ষে চেয়ারম্যানের ভাই নিজাম সরকার নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকে কাইয়ুম গ্রুপের সব নেতাকর্মী এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। রবিবার (২৮ জানুয়ারি) চালিভা্গায় একটি ক্যাম্প করে পুলিশ । ক্যাম্প করার পরদিন সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সবাই বাড়িতে ফিরতে থাকে। দুপুরে বাগবাজার নদীর ঘাটে আসলে দুপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে মারা যান কামরুল। এ ঘটনায় আহতরা হলেন চালিভাঙ্গা এলাকার মো. দাইয়ান, মো. কাদির হোসেন মেম্বার, মো. সোহেল, মো. কাউসার ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন। জেলা পরিষদ সদস্য কাইয়ুম হোসেন বলেন, লোকজন ভয়ে ছিলো। এলাকায় আসতে পারছিলো না। পুলিশ ক্যাম্প দেয়ার পর আজ এলাকায় ঢুকছিলো। পথে বাগবাজার নদীর ঘাটে আমিসহ তাদের এলাকায় নিরাপদে পৌঁছে দিতে আসলাম। কিন্তু চেয়ারম্যানের ভাইসহ তাদের গ্রুপের লোকজনের হামলায় কামরুল মারা গেছে। আরও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। চালিভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, তারা আমার ভাইকে মেরেছে। আজ আবার এলাকায় ঢোকার সময় তাদের প্রতিহত করে গ্রামবাসী। এতে নিরীহ কামরুল আহত হয়। পরে কাইয়ুম গ্রুপের লোকজন তাকে পিটিয়ে মেরেছে। আমাদের লোক জড়িত নয়। মেঘনার থানার ওসি মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, একজন নিহতের খবর সঠিক। পূর্বের একটি মার্ডারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজকের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


    add