মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি'র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন! আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি কুমিল্লার ৩ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩ কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’
  • বরুড়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন।। প্রেমিকের ফাঁসি 

    বরুড়ায় স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীর যাবজ্জীবন।। প্রেমিকের ফাঁসি 
    ছবি: কুমিল্লা মেইল

    নিজস্ব প্রতিবেদক।। 
    কুমিল্লার বরুড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনকে হত্যার দায়ে স্ত্রীকে যাবজ্জীবন ও স্ত্রীর প্রেমিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
    মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরবেলা কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এপিপি মো. আবু ইউসুফ মুন্সী।
    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রেমিক মো. আশিকুজ্জামান (২৭) হলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলমের চেঙ্গাছাল এলাকার নাসিরুল আলমের ছেলে।
    যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী মোনালিসা হিমু (২৮) হলেন- কুমিল্লা বরুড়ায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী এবং সিরাজগঞ্জ সদরের হোসেনপুর এলাকার আব্দুল মান্নান-এর মেয়ে।
    নিহত শরিফ উদ্দিন সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট এলাকার বাসিন্দা।
    মামলার বিবরণে জানা যায়- ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনকে তার ভাড়া বাসায় হত্যা করে তারই স্ত্রী হিমু ও প্রেমিক মো. আশিকুজ্জামান। পরদিন ডাকাতির ঘটনা সাজিয়ে থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন স্ত্রী হিমু। পরে তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মামলার চার্জশীটে আসামী করা হয় হিমু ও আশিকুজ্জামানকে।
    মামলার এপিপি মো. আবু ইউসুফ মুন্সী বলেন- নিহত শরিফের স্ত্রী হিমু তার প্রেমিকের সহযোগিতায় স্বামীকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে রক্তক্ষরণ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হিমুর তিনটি নাবালক সন্তান থাকায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর আসামি আশিকুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশসহ প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।


    add