বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬,

শিরোনাম :
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত জামায়াত নেতা কে দেখতে হাসপাতালে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সমাজকর্মীর করণীয় শীর্ষক কর্মশালা একটি ইজিবাইক ও  অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী উদ্ধার করে বিজিবি ১০ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ে বাইউস্টে সেমিনার নির্বাচন ঘিরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ‌‘জরুরি নির্দেশনা’ দিলো মাউশি আওয়ামী লীগের নেতা থেকে হয়ে গেলেন জামায়াতের ওয়ার্ড আমির আওয়ামী লীগের মতই জঘন্য কাজ করছে জামায়াত : কায়কোবাদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত করে সন্ধানীর ব্যানারে বিএনপির দলীয় কর্মসূচির অভিযোগ জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ জকসুতেও ছাত্রদলের ভরাডুবি, কীভাবে হজম করবেন তারেক রহমান?
  • পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন কৃষি পণ্য রফতানির আশাবাদ

    বার্ডে আঞ্চলিক কর্মশালা

    বার্ডে আঞ্চলিক কর্মশালা
    ছবি: কুমিল্লা মেইল


    নিজস্ব প্রতিবেদক।।৪০ শতাংশ নারীসহ দেশের দুই কোটি ২৭ লাখ ৫৩ হাজার ৩২১টি কৃষক পরিবারকে স্মার্ট কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ কার্ডে কৃষকের জমির পরিমাণসহ যাবতীয় তথ্য থাকবে। তারা টাকাও লেনদেন করতে পারবেন। কার্ডে সব তথ্য থাকায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে কৃষকদের আর অসুবিধা হবে না। এ প্রকল্প কৃষকের প্রকৃত বন্ধু হবে।প্রোগ্রাম অন অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আঞ্চলিক কর্মশালায় এসব কথা বলেন বক্তারা। রবিবার (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোটবাড়ীতে বার্ডের সম্মেলন কক্ষে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার। কর্মশালায় কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
     বক্তারা আরও বলেন, দুই লাখ হেক্টর জমিতে কম ফলনশীল জাত বাদ দিয়ে নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধানের প্রতিস্থাপন, দুই লাখ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল ডাল, তেল, সবজি ও ফল প্রতিস্থাপন; এক লাখ হেক্টর জমিকে নতুন করে দক্ষ সেচ প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। কৃষি পণ্যের মান পরীক্ষায় অ্যাক্রিডিটেশন ও প্রত্যয়নের মাধ্যমে মানসম্মত, নিরাপদ কৃষি পণ্যের বাজার সৃষ্টি ও রফতানি বৃদ্ধি করা হবে। প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন কৃষিজাত পণ্য রফতানি সম্ভব হবে। প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি খাতের ২০ হাজার যুব ও মহিলা উদ্যোক্তাকে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসায় সহায়তা প্রদান এবং উত্তম কৃষি চর্চার আওতায় তিন লাখ হেক্টর জমিতে ফল ও সবজির আবাদ বৃদ্ধি করা হবে।
    পার্টনার প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমরা দারুণ একটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি। প্রোগ্রামটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে বাংলাদেশের কৃষিতে আমূল পরিবর্তন আসবে।
    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কুমিল্লার উপ-পরিচালক আইউব মাহমুদ বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলের কৃষকরা অনেক অগ্রসর। তাই এ অঞ্চলে খুব সহজে প্রোগ্রামটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে


    add