বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি'র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন! আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি কুমিল্লার ৩ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩ কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’
  • বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা

    দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানিয়েছেন, ডিসি স্যারের নির্দেশে তদন্ত কমিটি করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি হজ্বে থাকায় প্রতিবেদন দালিলে বিলম্ব।  

    তথ্যমতে, গত ২৬ এপ্রিল মোঃ শাহাজাহান নামের এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। মোঃ শাহাজাহান জানান, তিনি এডিপি প্রকল্পের চার লক্ষ টাকা কাজ না করে উত্তোলন করেছেন। ভূমি উন্নয়ন কর ১% খাতের টাকা বে-নামে প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। হোল্ডিং স্মার্ট কার্ড নামে সাধারণ জনগণ থেকে দশ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। 

    বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের বলেন, আমি তো মূলক মেম্বর। ৫ আগস্টের পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেছি৷ অফিসের বিষয়াদি একটু কম বুঝি। সচিবের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ জেনেছি। এটা ডিসি স্যারও জানে, তদন্ত কমিটি কাজ করতেছে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, আমি হজ্বে ছিলাম। বিষয়টি জেনেছি। শাহাজাহান তো এ ইউনিয়নে কয়েকজন আছে। কে অভিযোগ করেছে জানি না। অ়ভিযোগ মিথ্যা।  

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় জানান, ডিসি স্যারের নির্দেশে বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের  সচিবের এক সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হজ্বে থাকায় প্রতিবেদন দালিলে বিলম্ব হয়েছে। আমরা শীঘ্রই প্রতিবেদন ডিসি অফিসে পাঠাবো।


    add