বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬,

শিরোনাম :
  • হিফজুল কোরআনে প্রথম কুমিল্লার মেয়ে ফাতেমা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গরু চোর-মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলস্টেশনে চোরাই পণ্য পাচারের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ২ কুমিল্লায় গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে  দাউদকান্দির চশই ধারিবন এম.বি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সফিকুল ইসলাম মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা সোনা মিয়া গ্রেফতার ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতার জমি দখলের অভিযোগ ক্যাম্পাসে ফিরেছে হেলমেট-রাম দা, নতুন অশনিসংকেত বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে বাংলা বিভাগের বাংলা বর্ষবরণ ও পিঠা উৎসব
  • বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    বারপাড়া ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ, ডিসির তদন্ত কমিটি

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের বিরুদ্ধে ১৮ লক্ষ টাকা

    দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানিয়েছেন, ডিসি স্যারের নির্দেশে তদন্ত কমিটি করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি হজ্বে থাকায় প্রতিবেদন দালিলে বিলম্ব।  

    তথ্যমতে, গত ২৬ এপ্রিল মোঃ শাহাজাহান নামের এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। মোঃ শাহাজাহান জানান, তিনি এডিপি প্রকল্পের চার লক্ষ টাকা কাজ না করে উত্তোলন করেছেন। ভূমি উন্নয়ন কর ১% খাতের টাকা বে-নামে প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। হোল্ডিং স্মার্ট কার্ড নামে সাধারণ জনগণ থেকে দশ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। 

    বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের বলেন, আমি তো মূলক মেম্বর। ৫ আগস্টের পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতেছি৷ অফিসের বিষয়াদি একটু কম বুঝি। সচিবের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ জেনেছি। এটা ডিসি স্যারও জানে, তদন্ত কমিটি কাজ করতেছে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, আমি হজ্বে ছিলাম। বিষয়টি জেনেছি। শাহাজাহান তো এ ইউনিয়নে কয়েকজন আছে। কে অভিযোগ করেছে জানি না। অ়ভিযোগ মিথ্যা।  

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায় জানান, ডিসি স্যারের নির্দেশে বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের  সচিবের এক সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হজ্বে থাকায় প্রতিবেদন দালিলে বিলম্ব হয়েছে। আমরা শীঘ্রই প্রতিবেদন ডিসি অফিসে পাঠাবো।


    add