সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন! আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি কুমিল্লার ৩ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩ কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’ বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত
  • ভিক্টোরিয়ার নজরুল হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন হয়নি,  ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা নেই--- হল তত্বাবধায়ক

    ভিক্টোরিয়ার নজরুল হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন হয়নি,  ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা নেই--- হল তত্বাবধায়ক

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা তৈরি হলেও, এ ঘটনায় ছাত্রদলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হল তত্বাবধায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়া। 

     

     

     

     

     

    জানা যায়, নজরুল হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে নির্যাতনের অভিযোগ এনে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম গত ১৫ এপ্রিল হল তত্ত্বাবধায়কের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি ১১ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জন তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে বলে দাবি করেন। অভিযুক্তরা হলেন, আরিফুল ইসলাম, 

     

    তারেক রহমান, মহিউদ্দিন সরকার মুন্না, এম.এম মো. শাকিল, মো. সায়মুন রিয়াদ, মো: আব্দুল হাকিম, ইব্রাহিম, আনিছুর রহমান রানা, আফসার উদ্দিন, আব্দুস সামি মজুমদার, ফাহাদ ভূইয়া, 

     

    সাইফুর রহমান রুদ্র।  লিখিত একপত্রে আব্দুস সামি মিথ্যাচার হিসাবে প্রভোষ্টকে জানান। 

     

     

     

     

    উপস্থিত সভায় ছাত্রদলের তারেক রহমান জানান, এটি আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত। এখানে অনেকে পদপ্রার্থী। তাই যুদ্ধটা নিজ ঘরের মধ্যে। 

     

     

     

     

     

     

    অভিযোগের প্রেক্ষিতে হলের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ সিপন মিয়া অভিযুক্তদের ডেকে ২০ মমার্চ রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে ঘটনার বিবরণ ও প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়। 

     

     

    অভিযোগকারী মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এটি ভুল বুঝাবুঝি ছিলো।  

     

    তত্ত্বাবধায়ক স্যার যে, সমাধান দিয়েছেন আমি খুশি। আমি স্যারের কাছে, আমার নিরাপত্তার বিষয়টি জানিয়েছি। স্যার বলেছেন, ভয় নেই। কোন সমস্যা হবে না। 

     

     

     

     

    এ বিষয়ে হলের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ সিপন মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। 

     

    তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে ছাত্রদলের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা সঠিক নয়।


    add