বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

শিরোনাম :
  • ভুয়া তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে বুড়িচংয়ের বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতার সংবাদ ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: কুমিল্লায় মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করবেন ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কুমিল্লার মায়ামী রেস্তোরাঁকে ৫০, জাইতুন রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন বরুড়ায় শিশু, নারী ও কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টির দাপট কবে কমবে? আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন পূর্বাভাস সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, যেভাবে জানা যাবে রেজাল্ট
  • ভিক্টোরিয়ার নজরুল হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন হয়নি,  ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা নেই--- হল তত্বাবধায়ক

    ভিক্টোরিয়ার নজরুল হলে শিক্ষার্থী নির্যাতন হয়নি,  ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা নেই--- হল তত্বাবধায়ক

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা তৈরি হলেও, এ ঘটনায় ছাত্রদলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হল তত্বাবধায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সিপন মিয়া। 

     

     

     

     

     

    জানা যায়, নজরুল হলের ২০৪ নম্বর কক্ষে নির্যাতনের অভিযোগ এনে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম গত ১৫ এপ্রিল হল তত্ত্বাবধায়কের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি ১১ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জন তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে বলে দাবি করেন। অভিযুক্তরা হলেন, আরিফুল ইসলাম, 

     

    তারেক রহমান, মহিউদ্দিন সরকার মুন্না, এম.এম মো. শাকিল, মো. সায়মুন রিয়াদ, মো: আব্দুল হাকিম, ইব্রাহিম, আনিছুর রহমান রানা, আফসার উদ্দিন, আব্দুস সামি মজুমদার, ফাহাদ ভূইয়া, 

     

    সাইফুর রহমান রুদ্র।  লিখিত একপত্রে আব্দুস সামি মিথ্যাচার হিসাবে প্রভোষ্টকে জানান। 

     

     

     

     

    উপস্থিত সভায় ছাত্রদলের তারেক রহমান জানান, এটি আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত। এখানে অনেকে পদপ্রার্থী। তাই যুদ্ধটা নিজ ঘরের মধ্যে। 

     

     

     

     

     

     

    অভিযোগের প্রেক্ষিতে হলের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ সিপন মিয়া অভিযুক্তদের ডেকে ২০ মমার্চ রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে ঘটনার বিবরণ ও প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়। 

     

     

    অভিযোগকারী মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এটি ভুল বুঝাবুঝি ছিলো।  

     

    তত্ত্বাবধায়ক স্যার যে, সমাধান দিয়েছেন আমি খুশি। আমি স্যারের কাছে, আমার নিরাপত্তার বিষয়টি জানিয়েছি। স্যার বলেছেন, ভয় নেই। কোন সমস্যা হবে না। 

     

     

     

     

    এ বিষয়ে হলের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ সিপন মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্টদের ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। 

     

    তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে ছাত্রদলের সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা সঠিক নয়।


    add