শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩ কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’ বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক
  • সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লায় বিএনপিতে আলোচনার শীর্ষে নাঈমা খন্দকার

    সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লায় বিএনপিতে আলোচনার শীর্ষে নাঈমা খন্দকার

    নিজস্ব প্রতিবেদক।। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে কুমিল্লায় বিএনপিতে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন নারী উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক নাঈমা খন্দকার। তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য এবং দাউদকান্দি ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির হিতৈষী সদস্য। তিনি ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশনেরও পরিচালক। এছাড়াও রাজনীতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২৪শে জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনানী হিসেবে সম্মুখসারিতে ছিলেন। তিনি গরিব শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই বিতরণ ও আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন। তিনি মনে করেন দল যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করলে তাকেও মূল্যায়ন করা হবে।

    গত ১১ এপ্রিল নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সংরক্ষিত নারী আসন কুমিল্লা-১ আসনের জন্য মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ ও ১২ এপ্রিল জমা দিয়েছেন। এরই মধ্যে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক পেয়েছেন তিনি।

     

    পারিবারিকভাবে নাঈমা খন্দকার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন তুষারের স্ত্রী। তিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন এবং আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত। 

    বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার আগ্রহ কীভাবে হলো এমনটি জানতে চাইলে নাঈমা খন্দকার বলেন প্রথমত কিশোরী বয়স থেকেই বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করি। শহিদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে পেয়েছি খাঁটি দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। তাই জাতীয়তাবাদী আদর্শের বাইরে নিজেকে কল্পনাও করতে পারিনি। আবার পারিবারিকভাবেও আমার শ্বশুর ও বিএনপির অবিসংবাদিত নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে৷ তিনি সারা জীবন দাউদকান্দির গণমানুষের পক্ষে কাজ করেছেন। তাই মানুষও তাকে আপন করে নিয়েছে। এসব কারণে বিএনপির রাজনীতি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও এ দলের সঙ্গে থেকেই পথচলতে চাই।

     

    নাঈমা খন্দকার জানান, সাধারণ মানুষ বিশেষ করে অবহেলিত ও বঞ্চিত নারীদের পক্ষে ভূমিকা রাখতেই তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান। তাছাড়া জাতীয় সংসদেও তিনি দেশ ও জাতির পক্ষে কথা বলতে চান।

    ব্যক্তিগতভাবে মনোনয়ন লাভের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার সবক্ষেত্রেই যোগ্য ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করছেন। আশা করি সংরক্ষিত আসনেও সেই ধারাবাহিকতা থাকবে।

     

    নাঈমা খন্দকার আরও জানান, তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, নারীদের শিক্ষা ও সমাজসেবার পাশাপাশি ২০১৮ সাল থেকে সরাসরি দলীয় রাজনৈতিক কাজে সব সময়ই সম্পৃক্ত ছিলেন। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে কুমিল্লা-১ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে সহকারী প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে গণসংযোগ করেন। এছাড়াও দলের যেকোনো কাজেই নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে মাঠে রয়েছেন৷ তিনি মনে করেন ত্যাগী ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হলে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে দলের গুডবুকে তিনিও স্থান পাবেন।


    add