বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬,

শিরোনাম :
  • কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না--- ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ চৌদ্দগ্রামে অর্থবহ রমজান গড়তে আজাদী সংসদের আলোচনা সভা চৌদ্দগ্রামে অর্থবহ রমজান গড়তে আজাদী সংসদের আলোচনা সভা কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে পুত্রবধূ নাঈমা খন্দকারের গণসংযোগে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে পুত্রবধূ নাঈমা খন্দকারের  গণসংযোগে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া  কুমিল্লায় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত স্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন কুমিল্লার সাবেক মেয়র সাক্কু গুজব কে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না বিএনপি- বিএনপি মিডিয়াসেলের প্রধান
  • দিদার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে’র দুর্নীতিও অনিয়মের দায়ে স্বেচ্ছা পদত্যাগ করে  পুনরায় যোগদানের  প্রতিবাদে স্মারকলিপি

    দিদার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে’র দুর্নীতিও অনিয়মের দায়ে স্বেচ্ছা পদত্যাগ করে  পুনরায় যোগদানের  প্রতিবাদে স্মারকলিপি
    ছবি কুমিল্লা মেইল

     

    কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দিদার মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে’র দীর্ঘ অনুপস্থিতি সত্ত্বেও পুনরায় যোগদানের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং স্কুল কমিটির প্রস্তাবিত সভাপতি আব্দুল মজিদ খানের অপসারণ দাবিতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে গণস্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি গ্রহণ করছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহ জালাল।
    মঙ্গলবার (৫ ই নভেম্বর) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর এই স্মারকলিপি জমা দেন।এতে উল্লেখ করা হয়,
    জুলাই পরবর্তী সময় নানাবিধ আর্থিক দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে কুমিল্লা দিদার মডেল  উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র তে  ইমেইলের মাধ্যমে পদত্যাগ করেন।
    ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কাজ করা,প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যয় করে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ।ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ফেল দেখিয়ে জামানতের টাকা ফেরত না দিয়ে তা তিনি নিজে আত্মসাৎ করে নেন।
      অভিযোগ করে বলেন। এই বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সাথে জড়িত কিছু বৃক্ষ ছিল যেগুলো তিনি বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলেন, এই স্কুলই তাদের একমাত্র ভরসা। কিন্ত প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নীতিমালা বহির্ভূত অধিক টাকা আদায় করে। এ ছাড়া তার মতের অমিল হলেই সহকারী  শিক্ষকদের চাকরিচুর্ত করার হুমকি দেন । রশিদ ছাড়া বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবি ও আদায়ের অভিযোগও করে তারা।
    এ ছাড়া উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের অবৈতনিক লেখা পড়ার সরকারি নিয়ম থাকলেও এসব শিক্ষার্থীদের কারো কাছ থেকে তিন মাস, কারো কাছ থেকে ছয় মাসের বেতন আদায়র অভিযোগও করে তারা। তাদের দাবি অফিস সহকারী ইখতিয়ার এর সহযোগীতায় নিজের মতো করে স্কুলের বিভিন্ন ফান্ড থেকে ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে। তার এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র দে অফিসগুলোর কতিপয় কর্মচারীর মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে অভিযোগগুলো তার বিরুদ্ধে।
    এ সময় তারা আরো বলেন, আমরা এরকম দুর্নীতিবাজ শিক্ষককে আমরা আর এখানে দেখতে চাই না।শিক্ষকের সম্মান বজায় রাখতে, অন্যত স্থানান্তর করার দাবি জানান।


    add