শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬,

শিরোনাম :
  • হিফজুল কোরআনে প্রথম কুমিল্লার মেয়ে ফাতেমা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গরু চোর-মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলস্টেশনে চোরাই পণ্য পাচারের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ২ কুমিল্লায় গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে  দাউদকান্দির চশই ধারিবন এম.বি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সফিকুল ইসলাম মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা সোনা মিয়া গ্রেফতার ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতার জমি দখলের অভিযোগ ক্যাম্পাসে ফিরেছে হেলমেট-রাম দা, নতুন অশনিসংকেত বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে বাংলা বিভাগের বাংলা বর্ষবরণ ও পিঠা উৎসব
  • মুরাদনগরে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যা!

    মুরাদনগরে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যা!
    ছবি- কুমিল্লা মেইল

    কুমিল্লার মুরাদনগরে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহের জেরে শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত, ক্বারী আবু নাঈম ওরফে নাঈম হুজুর (৪৫) উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। নিহত শিশু আব্দুল্লাহ ওরফে রাফসান (১৬ মাস) আবু নাঈমের তৃতীয় সন্তান। শিশু আব্দুল্লাহ ওরফে রাফসানের মা শাহিদা আক্তার জানান, শিশু রাফসানের জন্মের পর থেকেই তার বাবা তাকে নিজের সন্তান হিসেবে মেনে নিতে পারছিলো না। এ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ দিন তাদের দামপত্য কলহ চলছিলো। শনিবার সকাল ৯টার দিকে শিশু রাফসানকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেলা সদরে নিয়ে যেতে চান তার বাবা নাঈম। তখন শিশুটির মা তাদের সাথে যেতে চাইলে বাধা দেন স্বামী নাঈম। বিষয়টিকে খুব ভালোভাবে নিতে পারেনি তার মা শাহিদা আক্তার। তাই নিজে যেতে না পারায় স্বামীর সাথে তার বড় ছেলে ১২ বছর বয়সী আনাসকে সাথে পাঠান। অল্প সময়ের মধ্যেই তার বড় ছেলে একা বাড়ি চলে ফিরে আসেন। বাড়ি ফিরে বড় ছেলে আনাস জানায় তার বাবা তাকে মুরাদনগর সদরের বাজারে রেখে ছোট ভাইকে নিয়ে একা চলে গেছেন কুমিল্লায়। পরে দুপুর ১২টার দিকে মৃত অবস্থায় রাফসানকে নিয়ে বাড়ি ফিরেন তার বাবাব। তিনি জানান কুমিল্লা শহরে যাওয়ার পথে কংশনগর এলাকায় গাড়ির ভেতরেই অসুস্থতার কারণে শিশু রাফসানের মৃত্যু হয়েছে। তবে মা শাহিদা আক্তারের দাবি দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী হুমকি দিয়ে আসছিল সন্তানটিকে মেরে ফেলার। অসুস্থতাজনিত কারণে নয় তার স্বামী শিশু রাফসানকে গলাটিপে হত্যা করেছে। স্থানীয়রা জানান, শিশু রফসানের জন্মের পর থেকে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে তার স্বামী বহুবার সালিশি বৈঠক ডেকেছেন। প্রতিটি সালিশেই শিশু সন্তান রাফসানকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন তার বাবা নাইম। তবে সালিশে স্ত্রীর পরকীয়ার কোন প্রমাণ দিতে না পারায় স্থানীয় এলাকার লোকজনদের পরামর্শে তারা একসাথে সংসার করছিলেন। হয়তো তার স্ত্রীর সেই পরকীয়া সন্দেহের জেরেই শিশু রফসানকে হত্যা করা হয়েছে। মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নাঈম মিয়াকে আটক করা হয়েছে। শিশু রাফসানের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

     

     

     


    add