শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬,

শিরোনাম :
  • হিফজুল কোরআনে প্রথম কুমিল্লার মেয়ে ফাতেমা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গরু চোর-মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলস্টেশনে চোরাই পণ্য পাচারের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ২ কুমিল্লায় গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে  দাউদকান্দির চশই ধারিবন এম.বি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সফিকুল ইসলাম মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা সোনা মিয়া গ্রেফতার ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতার জমি দখলের অভিযোগ ক্যাম্পাসে ফিরেছে হেলমেট-রাম দা, নতুন অশনিসংকেত বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে বাংলা বিভাগের বাংলা বর্ষবরণ ও পিঠা উৎসব
  • শিক্ষার্থীর শার্টের কলার চেপে-ধাক্কা দেয়ার অভিযোগ ভিক্টোরিয়ার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

    শিক্ষার্থীর শার্টের কলার চেপে-ধাক্কা দেয়ার অভিযোগ ভিক্টোরিয়ার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

    কলেজ প্রতিনিধি।। শিক্ষার্থীর শার্টের কলার চেপে ধরার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এসময় ওই শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দেয়ার ঘটনাও ঘটে। এ বিষয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ধর্মপুরের ডিগ্রি শাখার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এই ঘটনাকে অভিভাবক হয়ে সন্তানদের শাসন করেছেন বলে দাবি করেছেন অধ্যক্ষ।

    অভিযুক্ত শিক্ষক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাশার ভূঁঞা। ওই শিক্ষার্থী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাওন।

    শিক্ষার্থী ও কলেজের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার মাঠে খেলছিল শিক্ষার্থীরা। এসময় অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাশার ভূঁঞা শিক্ষার্থীদের বাধা দেন। কথা না শুনে শিক্ষার্থীরা তাদের খেলা অব্যাহত রাখছিলেন। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে তর্কে জরিয়ে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে তিনি গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী শাওনকে কলার চেপে ধরে ধাক্কা দেন।

    শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর থেকে তিনি শিক্ষার্থীরা যেনো অধ্যক্ষের কক্ষে না প্রবেশ করে, এমন ঘোষণা দেন। এছাড়াও বিগত সময়ের অপরাধের বিচার করার বিষয়ে কোন অগ্রগতি নেই তার। কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে দাবি জানালেও কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি তিনি।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাওন বলেন, মাঠে খেলার এক পর্যায় অধ্যক্ষ এসে বাধা দিলে আমরা বলছিলাম; কলেজ মাঠে না খেললে আমার আর কোথায় খেলবো? বিগত দিনে কলেজ প্রশাসন থেকে কোনো বাধা আসেনি। এ কথা বলাতে রাগে কলার চেপে ধরে ধাক্কা দেন তিনি।

    কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাশার ভূঁঞা বলেন, ছেলেটা গোল কিপার ছিল। সে একটু মেজাজ দেখিয়েছে। মা-বাবা হিসাবে আমরা কি ইয়ে.... করতে পারি না? তাছাড়া তখন তাদের ক্লাস না থাকলেও অন্যদের ক্লাস ছিল। এভাবে ক্লাস চলাকালীন মাঠে খেলাধুলা করলে অন্যদের সমস্যা হয়। তাছাড়া ছেলেটাকে পরে ডেকে বিষয়টা সমাধান করেছি।


    add