কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল।। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে যোগদান করতে পারেননি অধ্যক্ষ নার্গিস
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ২২:১২ পি এম
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এম নার্গিস আক্তারকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। এরই মধ্যে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ১৮ আগস্ট অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি জানায় শিক্ষার্থীদের একাংশ। এর পর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত ছিলেন তিনি। তাকে প্রতিষ্ঠানের পদ থেকে সাময়িক অপসারণ করা হয়। এদিকে নার্গিসকে সাময়িক অপসারণের পর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা মুস্তফাকে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ফাহমিদা মুস্তফা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নার্গিসকে আক্তারকে আবারও কর্মস্থলে যোগদানের কথা বলা হয়। সে প্রেক্ষিতে রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) নার্গিস আক্তার প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু তাঁকে পুনর্বহালের প্রতিবাদে ফের আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নিয়ে দিনভর বিক্ষোভ ও শিক্ষকেরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় নার্গিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা। এর আগে বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ফাহমিদা মুস্তফা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘উপযুক্ত বিষয়ে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার ১১-১২-২০২৪ ইং তারিখের গভর্নিং বডির ৩৩তম সভার ২ আলোচ্য সূচি অনুযায়ী আপনাকে আজই কর্মস্থলে যোগদানের অনুরোধ করা হলো। নাম প্রকাশ না করে অন্তত তিনজন শিক্ষক বলেন, নার্গিস আক্তারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পুরনো। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে জেলা প্রশাসন। তদন্তে অনিয়ম-দুর্নীতির সত্যতাও পাওয়া যায়। এরপরও তাঁকে আবার পুনর্বহালের চেষ্টা করা হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেভাবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে শিক্ষকেরা পদত্যাগ করেছেন, বিষয়টি এখানে তেমন নয়। তিনি আগে থেকেই অভিযুক্ত।
এক শিক্ষক বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন প্রায় ছয় মাস তদন্ত করে নার্গিস আক্তারের বিরুদ্ধে ২৬টির বেশি অভিযোগ রয়েছে। তাঁরা নতুন বাংলাদেশে এমন দুর্নীতিবাজ কাউকে অধ্যক্ষের চেয়ারে দেখতে চান না। তাঁরা তাঁর স্থায়ী বহিষ্কার চান। এ বিষয়ে জানতে টেলিফোন করলে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা মুস্তফা রিসিভ করেননি। সাবেক অধ্যক্ষ নার্গিস আক্তারের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি ধরেননি। তবে জেলা প্রশাসনের দুজন ম্যাজিস্ট্রেট আন্দোলন চলাকালে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিস্তারিত জেনেছেন বলে জানা গেছে।
- কুমিল্লায় নোহা মাইক্রোবাস থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২
- বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা
- অফিস চলাকালে প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী দেখার অভিযোগ কুমেকের রেডিওলজিস্টের বিরুদ্ধে
- কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র
- বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত
- কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ
- সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী
- চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক