শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬,

শিরোনাম :
  • মাদক থেকে দূরে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চৌদ্দগ্রামে তরুনদের মাঝে শতাধিক ফুটবল বিতরণ চৌদ্দগ্রামে এডভোকেট রাশেদুল আলম সবুজের চেম্বার উদ্বোধন সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লায় বিএনপিতে আলোচনার শীর্ষে নাঈমা খন্দকার কুমিল্লা মহানগর যুবদলের নেতৃত্বে ফখরুল ইসলাম মিঠুকে চায় তৃণমূল লালমাইয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতি আজ বাইউস্ট ডিবেট ক্লাব কর্তৃক ডিবেট ওয়ার্কশপ ও বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন জুলাইকে মুছে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত চলছে'--- এড. তারিকুল  ৮৭৫ গ্রাম হিরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী মেহরাব আলম অপিসহ আটক ৬জন। ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে ষোলআনা বাঙালি চেতনায় বাংলা বর্ষবরণ কুমিল্লায় এনসিপি'র মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
  • দাউদকান্দিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত দুই জনের মরদেহ উত্তোলন

    দাউদকান্দিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত দুই জনের মরদেহ উত্তোলন
    ছবি- কুমিল্লা মেইল

     কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত দু’জনের মরদেহ উত্তোলন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্তের জন্য শনিবার (২৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী তাদের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ। নিহত দু’জন হলেন, দাউদকান্দি উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের সুখীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মো. রিফাত (১৭)। রিফাত পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রী এবং অপরজন দিনমজুর মো.বাবু মিয়া (২৩) উপজেলার তুজারভাঙ্গা গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মান্নানের ছেলে। জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রিফাত বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। ওইদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়। পরদিন তার মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে পরিবার। এ ঘটনার ১৩ দিন পর ১৮ আগস্ট রিফাতের মামা পরিচয়ে আব্দুর রাজ্জাক ফকির নামে একজন বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত হত্যার ঘটনায় কুমিল্লার আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা করা হয়। আদলাতে করা মামলার বাদী নিহত রিফাতের মা নিপা বেগম। যেই মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। দুই মামলাতেই কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস) আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন ও দাউদকান্দি পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইনসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

    অপরদিকে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বিকালে বিজয় মিছিলে দাউদকান্দি মডেল থানার সামনে দিনমজুর মো. বাবু মিয়া (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।তাকেও ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের দাফন করা হয়। নিহত দিনমজুর বাবুর প্রতিবেশী লিটন আহম্মেদ পাভেল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

    ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না থাকায় আদালতের নির্দেশে দু’জনের মরদেহ উত্তোলন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দাউদকান্দি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক হারুনুর রশিদ। তিনি জানান, এই দুই জনের মৃত্যুর সময় ময়নাতদন্ত করার পরিস্থিতি ছিলো না। তাই তখন সাধারণভাবেই দাফন করেছিলো পরিবার। এখন আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আবার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

     

     

     


    add