রবিবার, ৩১ মে ২০২৬,

শিরোনাম :
  • হিফজুল কোরআনে প্রথম কুমিল্লার মেয়ে ফাতেমা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গরু চোর-মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলস্টেশনে চোরাই পণ্য পাচারের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ২ কুমিল্লায় গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে  দাউদকান্দির চশই ধারিবন এম.বি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সফিকুল ইসলাম মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা সোনা মিয়া গ্রেফতার ১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেফতার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতার জমি দখলের অভিযোগ ক্যাম্পাসে ফিরেছে হেলমেট-রাম দা, নতুন অশনিসংকেত বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে বাংলা বিভাগের বাংলা বর্ষবরণ ও পিঠা উৎসব
  • কুমিল্লায় ডেভেলপার কোম্পানি ও জমির মালিকদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ

    কুমিল্লায় ডেভেলপার কোম্পানি ও জমির মালিকদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের হয়রানির অভিযোগ
    ছবি- সংগৃহীত

    কুমিল্লার ২য় মুরাদপুর, মেডিকেল কলেজ রোডের উত্তর পাশে ও ঢুলিপাড়া মোড় (ভাঙা বিল্ডিংয়ের পূর্ব দিকে) ডক্টর’স টাওয়ার নামে ২১ শতক ভূমির ওপর নির্মিত ১২ তলা ভবনের ফ্ল্যাট কেনার পর থেকেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। তারা জানান ২০১০ সালে ভবনটি তৈরি শুরু হয়। ২০১৬ সালে ডিসেম্বরে গ্রাহকদেরকে ভবনটি বুঝিয়ে দেয়ার চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ভূমির একজন মালিক (আমিনুল ইসলাম) মারা যাওয়ায় তার ওয়ারিশদের সাথে চুক্তি নবায়ন করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়। এরই মধ্যে ভবনের কাজ সম্পন্ন করে গ্রাহকদের ফ্ল্যাট বুঝিয়ে ব্যর্থ হলে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতি পূরণ দেয়ার চুক্তি হয়। বর্তমানে উক্ত ভবনে প্রায় ৬৬টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ৫৭টি ফ্ল্যাটে গ্রাহক বসবাস করলেও চুক্তি অনুযায়ী তাদেরকে সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজও শেষ হয়নি। তাছাড়াও ২টি লিফটের মধ্যে ১টি, নিম্নমানের জেনারেটর, অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, মসজিদ নির্মাণ, রং করা বা খাবার পানির সু-ব্যবস্থাসহ কিছুই করা হয়নি। অপরদিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে ওপরে উঠতে ও নামতে গ্রাহকদের নাভিশ্বাস উঠে। এতে অসুস্থ রোগী, বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ অবস্থায় ডেভেলপার কোম্পানির কাছে বিষয়টি নিয়ে সমাধান চাইলেও তারা কোনো কর্ণপাত করে না। মূলত প্রভাবশালী হওয়ায় ডেভেলপার কোম্পানির বিরুদ্ধে কথা বলতে কেউ সাহস পায় না। আইনের আশ্রয়ও নিতে ভয় পাচ্ছেন। তাছাড়াও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। জায়গার মালিক ও ডেভেলপার কোম্পানির লোকজন পরস্পরের আত্নীয়। তাই অন্যান্য গ্রাহকগণ রয়েছেন বিপাকে। উল্লেখ্য, উক্ত জায়গার যৌথ মালিক তিন ভাই কুমিল্লা সদর দক্ষিণের কালিরবাজার রামপুর এলাকার এ.কে. এম সিরাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ও  মৃত আমিনুল ইসলাম। আর ডেভেলপাররা হলেন- তাদেরই ভাই ডা. মো. শামসুদ্দিন ইলিয়াস, ভাতিজি জামাই মো. মিজানুর রহমান (বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা) এবং ভাতিজা মোহাম্মদ শরিফ আহমেদসহ আরও কয়েকজন। ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতি সুলতান মাহমুদ মেহেদী (মাহবুব) বলেন, সেখানে তিনিও বিভিন্ন সমস্যার শিকার। এর বাইরে আর কিছু বলতে রাজি হননি।

     


    add