কারাগারের ছাদ ফুটো করে যেভাবে পালিয়ে যান ৪ আসামি
- ডেস্ক রিপোর্টার
- প্রকাশ: ২৬ জুন, ২০২৪ ১৩:৫৩ পি এম
বগুড়া জেলা কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালিয়ে যান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামি। মঙ্গলবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। অবশ্য বুধবার (২৬ জুন) ভোর ৪টায় শহরের চেলোপাড়া চাষি বাজারের সামনে থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ৪ আসামি হলেন- কুড়িগ্রামের নজরুল ইসলাম মঞ্জু (৬০), নরসিংদীর মো. আমির হামজা (৩৮), বগুড়ার ফরিদ শেখ (২৮) ও মো. জাকারিয়া (৩১)। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর কীভাবে ওই চার আসামি পালিয়ে যান সে বিষয়ে বিস্তারিত জানান বগুড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বগুড়া কারাগারটি অনেক পুরাতন। এটি ব্রিটিশ আমলে তৈরি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে ভবনের অনেক স্থান নাজুক। ওই চার আসামিকে এ বছরের ১ জুন এখানে নিয়ে আসা হয়। তাদের একই সেলে রাখা ছিল। তারা আসার পর আমি পরিদর্শনেও গিয়েছিলাম। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ছাদ ফুটো করে তারা চারজন পালিয়ে যান। আজকে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ওরা ছাদের যে অংশে ফুটো করেছে সেখানে কোনো রড ছিল না। আমরা এসব স্থান সংস্কারের কথা বলেছি। এছাড়া আসামিরা যেদিক দিয়ে পালিয়ে গেছে সেখানে নিরাপত্তা চৌকি স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতে তারা নিজেদের বিছানার চাদর ছিড়ে দড়ি বানায়। এরপর গামছার ভেতর শক্ত কিছু ভর করে কৌশলে কারাগারের ছাদ ফুটো করে সেলের বাইরে বের হয়। আগে থেকে বানানো বিছানার চাদরের দড়ি দিয়ে কারাগার ভবন থেকে নিচে নামে। এরপর ওই চারজন কারাগারের পূর্ব পাশে করতোয়া নদীর ওপর ছোট ব্রিজের নিচ দিয়ে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৬ মিনিটে খবর আসে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে চারজন মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি পালিযয়ে গেছে। এই খবর পাওয়া মাত্র বগুড়া সদর থানা ও ফাঁড়ির পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। তারা শহরের বিভিন্নস্থানে একাধিক অভিযান পরিচালনা শুরু করে। অভিযানের এক পর্যায়ে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে সদরবাড়ীর উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলম শহরের চেলোপাড়ায় করতোয়া নদীর পাড়ে চাষি বাজার থেকে চারজনকে আটক করেন। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হওয়া যায় এই চারজনই কারাগার থেকে পালানো সেই চার আসামি। এরপর তাদেরকে ডিবি অফিসে নিয়ে আসা হয়। জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ঘটনা জানা মাত্রই খুব দ্রুততম সময়ে আমাদের পুলিশ সদস্যরা চার আসামিকে আটক করতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি এম ইমরুল কায়েসকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
- কুমিল্লায় কোরবানির হাটে গরুর গুঁতোয় গৃহবধূ নিহত
- হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার- কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- কুমিল্লা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি জনপদ---মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
- 'জনগণের পুষ্টিচাহিদা পূরণ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য'---কৃষিমন্ত্রী
- কুমিল্লায় কুরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণের ঘোষণা
- তরুণীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় আটক চবি ছাত্রদল নেতা
- কুমিল্লায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের কা/রাদ/ণ্ড
- '১৬ বছরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনে কী কাজ হয়েছে জানতে চাই'-- মনিরুল হক চৌধুরী
- কুমিল্লায় চিকিৎসার অভাবে ২২ বছর ধরে শিকলবন্দী আবুল খায়ের
- কুমিল্লা সদর দক্ষিণে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষিযন্ত্র বিতরণ