বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • কুমিল্লায় পশু কোরবানির সময় আহত শতাধিক শৌখিন কসাই

    কুমিল্লায় পশু কোরবানির সময় আহত শতাধিক শৌখিন কসাই
    ছবি- সংগৃহীত

    কুমিল্লায় গরু কোরবানির সময় এবং মাংস কাটতে গিয়ে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তারা কুমিল্লা নগরীর জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।ঈদের দিন সকাল ৮টা থেকে কোরবানি শুরু হওয়ার পর থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত এসব আহতরা এসে চিকিৎসা নেন। তবে কেউ গুরুতর আহত নন। তারা সবাই মৌসুমী কসাই কিংবা নিজের গরু-ছাগল নিজে জবাই ও কাটাকুটি করতে গিয়ে ধারালো ছুরি-দা’য়েরে আঘাতে আহত হন৷ আহতদের মধ্যে খুব সংখ্যক পেশাদার কসাই ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। সকাল ৮ টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৫ জন।এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলায় গরুর সিংহের আঘাতে ও হাত কেটে কিছু মানুষ আহত হয়েছেন। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার রাজন কুমার দাস জানান, হাসপাতালে শহরের রোগীরাই বেশি। সবাই ছোটখাট আঘাত নিয়ে এসেছেন। কাউকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় নি। সর্বোচ্চ সেলাই দিতে হয়েছে। তারপর তারা বাড়ি ফিরে যান।নগরীর টিক্কারচর এলাকা থেকে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাগর হোসেন বলেন, কোরবানির গরুর মাংস কাটতে গিয়ে কিভাবে যে হাত কেটে গেলো টেরই পেলাম না। এখন সেলাই লাগছে। নগরীর চর্থা এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা বজলু মিয়া জানান, চাপাতি ছুটে হাতে লাগে। এরপরই রক্ত বের হওয়া শুরু।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সাগর চক্রবর্তী জানান, আহতরা বেশির ভাগই হয় ছুরির আঘাতে হাত কেটেছে। আবার অনেকে গরুর শিংয়ের গুতোয় আহত হয়েছেন। কারো দুই টা , কারো তিনটা কিংবা কারো সর্বোচ্চ ৬টা সেলাই লাগছে।কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স দুলাল চন্দ্র সূত্রধর জানান, দুপুর দুইটা পর্যন্ত ৩৯ জন চিকিৎসা নিয়েছে। আরো অনেকেই আসছে। তবে সকাল ৮টা থেকে ২টা পর্যন্তই কোরবানি করতে গিয়ে আহতরা বেশি আসেন। আমরা সচেষ্টভাবে তাদের সেবা দিচ্ছি। এছাড়াও দেখা গেছে, নগরীর বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রেও ছুরিকাঘাতে আহত বেশ কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

     


    add