বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সর্বশেষ যা জানালেন ডা. জাহিদ

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সর্বশেষ যা জানালেন ডা. জাহিদ

     

    ডেস্ক রিপোর্টার।। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগের চেয়ে সুস্থ বোধ করছেন।  আপাতত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসাতেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবেন তিনি।
    বুধবার রাত রাত ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে  এ তথ্য জানান। বলেন ‘খালেদা জিয়া বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরের পর থেকে অসুস্থতা বোধ করছিলেন। ইফতারের পর মেডিকেল বোর্ড বেশ কয়েকবার তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে। সার্বিক দিক বিবেচনায় তারা মনে করছেন, তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। সেজন্য আপাতত তিনি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসাতেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবেন।’
    তিনি বলেন, প্রয়োজনে তাকে যে কোনো সময় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হতে পারে। 
    খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন। গত ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর চিকিৎসায় গত ২৫ অক্টোবর মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ঢাকায় আসেন। তারা লিভারসিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার ট্রান্সজাগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
    উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে  পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন।
    কারাদণ্ড পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনকে ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঁচ মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১১ জানুয়ারি বাসায় ফেরেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।।


    add