বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬,

শিরোনাম :
  • 'ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তাজমিনকে'- পুলিশ কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ কিশোরীর লাশ উদ্ধার, পাশে পরিত্যক্ত সিএনজিi ভিক্টোরিয়া কলেজ বিতর্ক পরিষদের ‘নবীন বরণ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ভুয়া তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে বুড়িচংয়ের বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতার সংবাদ ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: কুমিল্লায় মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করবেন ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কুমিল্লার মায়ামী রেস্তোরাঁকে ৫০, জাইতুন রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন
  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সর্বশেষ যা জানালেন ডা. জাহিদ

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সর্বশেষ যা জানালেন ডা. জাহিদ

     

    ডেস্ক রিপোর্টার।। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগের চেয়ে সুস্থ বোধ করছেন।  আপাতত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসাতেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবেন তিনি।
    বুধবার রাত রাত ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে  এ তথ্য জানান। বলেন ‘খালেদা জিয়া বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরের পর থেকে অসুস্থতা বোধ করছিলেন। ইফতারের পর মেডিকেল বোর্ড বেশ কয়েকবার তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে। সার্বিক দিক বিবেচনায় তারা মনে করছেন, তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। সেজন্য আপাতত তিনি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসাতেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবেন।’
    তিনি বলেন, প্রয়োজনে তাকে যে কোনো সময় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হতে পারে। 
    খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন। গত ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর চিকিৎসায় গত ২৫ অক্টোবর মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ঢাকায় আসেন। তারা লিভারসিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার ট্রান্সজাগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
    উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে  পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন।
    কারাদণ্ড পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনকে ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়া হয়। এরপর থেকে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঁচ মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১১ জানুয়ারি বাসায় ফেরেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।।


    add