শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক ইন্তেকাল করেছেন তনু হত্যা মামলায় নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত কুমিল্লায় জমজম ট্রাভেলস্ বিডি'র প্রি-হজ্ব সেমিনার অনুষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে পুশ ইন করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার দেখা যাক—ট্রফি উঠবে মেসিদের হাতে, নাকি নতুন ইতিহাস লিখবে স্পেন! আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি কুমিল্লার ৩ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, চরম দুর্ভোগে লাখো মানুষ চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ৬ মাসের শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ১৩
  • কুমিল্লায় ডেঙ্গুর কেন্দ্রস্থল দাউদকান্দি, একদিনেই শনাক্ত ১৮ রোগী

    কুমিল্লায় ডেঙ্গুর কেন্দ্রস্থল দাউদকান্দি, একদিনেই শনাক্ত ১৮ রোগী

    কুমিল্লা জেলায় দাউদকান্দি উপজেলাতেই ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ১৮ জুলাই তারিখের রিপোর্টে দেখা গেছে, আগের ২৪ ঘন্টায় দাউদকান্দি উপজেলায় ১৮ জন ডেঙ্গু সনাক্ত হয়েছে। পুরো জেলায় একদিনে মোট সনাক্ত হয়েছে ৩৩ জন। 
    গতবছরও কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছিল, ওই বছর অন্তত সাতজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দাউদকান্দি উপজেলায় মৃত্যুবরণ করে। এবারও দাউদকান্দিতেই সংক্রমণ বেশি হওয়ায় দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে।

    পরিসংখ্যান বলছে, এবছর দাউদকান্দিতে মোট ৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়। এরমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৯ জন। তবে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭৮ জন। এবছর জেলায় মোট ডেঙ্গু সনাক্ত রোগের সংখ্যা ২৯৯ জন, যার মধ্যে ২৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৪১ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এখনো পর্যন্ত জেলায় মৃত্যুর সংখ্যার শূন্য। 


    জেলা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, আমি শনিবার সারাদিন দাউদকান্দি - মেঘনা ওই অঞ্চলে পরিদর্শন করেছি। আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়ে এসেছি। এখনো জেলায় প্রাণহানি নেই। 


    দাউদকান্দি উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান জানান, এবার আমরা আগে থেকেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছি- তাদের কাছে কোন ডেঙ্গু সনাক্ত লিপিবদ্ধ হলেই যেন আমাকে জানায়। তাহলে আমরা সংক্রমণের হার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাব। না হয় গত বছরের মত ভুগতে হবে। 


    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তার জানান, আমরা সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোকে নির্দেশণা দিবো যেন তারা সংক্রমন সনাক্তের তথ্য গোপন না করে। আর সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পৌরসভা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে চালু আছে।


    add