শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

শিরোনাম :
  • ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: কুমিল্লায় মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করবেন ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কুমিল্লার মায়ামী রেস্তোরাঁকে ৫০, জাইতুন রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন বরুড়ায় শিশু, নারী ও কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টির দাপট কবে কমবে? আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন পূর্বাভাস সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, যেভাবে জানা যাবে রেজাল্ট কুমিল্লা নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডে চালু হচ্ছে ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’
  • টিকাদানের পরও থামছে না হাম, কুমিল্লায় শিশুমৃত্যু বেড়ে ১৪

    টিকাদানের পরও থামছে না হাম, কুমিল্লায় শিশুমৃত্যু বেড়ে ১৪

    জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ হলেও কুমিল্লায় হামের প্রকোপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে কুমিল্লায় হামের উপসর্গ ও পরীক্ষায় নিশ্চিত মিলিয়ে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মারা যাওয়া শিশুটির নাম রায়হান (১৮ মাস)। সে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাসিন্দা ইমাম হোসেনের ছেলে। হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সন্দেহজনক ১৫ জনের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ১২ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ১৮ জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৯ জুলাই পর্যন্ত কুমিল্লা জেলায় মোট ৩ হাজার ১৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮২ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১৩ জন এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৫৬৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ২ হাজার ৫০২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ বলেন, হামের লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত হাম-রুবেলা টিকা নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ জানাচ্ছি।

    টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পরও হাম ও মৃত্যু পুরোপুরি কমে না আসার বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, মারা যাওয়া শিশুরা আগে থেকে হামের টিকা পেয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সার্বিকভাবে আগের তুলনায় জেলায় হামে আক্রান্তের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।


    add