বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • চার চাকার স্বপ্নে এগিয়ে চলা ভিক্টোরিয়া কলেজের মাইনুল হাসান থানা থেকে ১০০ ফুট দূরে সংঘবদ্ধ চুরি, ১২ লাখ টাকার মালামাল খোয়া কুমিল্লার প্রথম নারী ডিসি রোজী আক্তার সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি: ডা. শফিকুর রহমান সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি: ডা. শফিকুর রহমান সাইতলায় মাদকবিরোধী সমাবেশ বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল? কুমিল্লায় মাদক কারবারিদের গুলিতে স্কুলছাত্রসহ আহত ৫ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন অধ্যায় চীনের গার্ড অব অনারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লায় মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে শিশুর মৃত্যু
  • কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না ৮ কলেজের কোনো শিক্ষার্থী

    কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না ৮ কলেজের কোনো শিক্ষার্থী

    কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই অংশগ্রহণ করছে না। এর মধ্যে চারটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারেনি এবং বাকি চারটি কলেজের ৩৫ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও তারা নির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে।

    এই তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফেনী জেলার নোবেল কলেজ, কুমিল্লা জেলার বেগম জহুরা মহিলা কলেজ, ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, সিসিএন মডেল কলেজ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাতগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, কৃষ্ণনগর আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তিতাস মডেল কলেজ ও উলুকান্দি কলেজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী শূন্য হওয়ার নেপথ্যে আর্থিক সংকট, শিক্ষক স্বল্পতা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

    এ বছর কুমিল্লা বোর্ডের আওতাধীন ছয়টি জেলায় ৪৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে। এর মধ্যে ৫৭ হাজার ১৯৬ জন ছাত্রী এবং ৩৭ হাজার ৬০৬ জন ছাত্র রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে শূন্য থেকে পাঁচ শতাংশ পাসের হারের কারণে ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কলেজ স্বীকৃতির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে, যার ফলে তারা আগামীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারাবে।

    কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শিবু চন্দ্র সরকার জানান, ২০১২ সাল থেকে কলেজ শাখা চালু থাকলেও এ বছরই প্রথম এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থী সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছিল এবং চলতি বছর ভর্তি হওয়া ১০ জন শিক্ষার্থীও নির্বাচনি পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে পারেনি। এ ধরনের সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।


    add