সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬,

শিরোনাম :

চৌদ্দগ্রামে বিয়ে নিয়ে বিরোধের জেরে তরুণ নিহতের ঘটনায় এক কিশোরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

চৌদ্দগ্রামে বিয়ে নিয়ে বিরোধের জেরে তরুণ নিহতের ঘটনায় এক কিশোরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিয়ে নিয়ে বিরোধের জেরে তরুণীর বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতে সাইয়েদ আবদুল্লাহ সিয়াম (২২) নামে এক তরুণের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৯ জুন) ভোরে উপজেলার পৌর এলাকার লক্ষীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম লক্ষীপুর গ্রামের হাজী এনামুল হকের বড় ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে সিয়ামের প্রেমিকা নাইমা জাহান (১৫)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত থাকা সিয়ামের বন্ধু আরিয়ান খান মাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আটক করার পর নাইমা জাহান উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা নাইমা জাহানের সঙ্গে সিয়ামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি সিয়াম তার তিন মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেন। এরপর তিনি বিয়ের জন্য চাপ দিলে সিয়াম টালবাহানা করতে থাকেন।

নাইমার দাবি, পরে সিয়াম তাকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে লক্ষীপুরে আসতে বলেন। টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি রোববার রাতে সিয়ামের পুরোনো বাড়িতে যান। সেখানে একটি কক্ষে সিয়াম, নাইমা ও সিয়ামের বন্ধু আরিয়ান রাতযাপন করেন।

ভোরে সিয়াম নাইমাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বললে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি ছুরি দিয়ে সিয়ামের পেটে আঘাত করেন নাইমা। এতে সিয়াম গুরুতর আহত হন।

সিয়ামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে নাইমা ও আরিয়ানকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে এবং দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত নাইমা জাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরিয়ান খান মাহিদকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে


add