রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬,

শিরোনাম :
  • কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন বরুড়ায় শিশু, নারী ও কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টির দাপট কবে কমবে? আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন পূর্বাভাস সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, যেভাবে জানা যাবে রেজাল্ট কুমিল্লা নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডে চালু হচ্ছে ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’ বরুড়ায় পুলিশের অভিযানে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার, পালিয়েছে মাদক কারবারিরা কুমিল্লা স্থলবন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী 
  • শীতের পিঠা।। যে স্মৃতি ভুলার নয়!

    শীতের পিঠা।। যে স্মৃতি ভুলার নয়!

    পৌষ এবং মাঘ মাস শীত কাল হলেও অগ্রহায়ণ মাস থেকে শীতের সূচনা হতে থাকে। তখন পাড়ায়-পাড়ায়,মহল্লায় ছোট -বড় সবাই পিঠা খাওয়ার আনন্দে মেতে উঠতো। তার আর এখন আমাদের চোখে পড়ে না। মানুষের ব্যস্ততম জীবনের মাঝে এখন তা হারিয়ে যাওয়ার পথে। এক সময় শীতকাল  দেখা যেতো কুমিল্লার ফুটপাত থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ পাড়া- মহল্লা ও প্রতিটি ঘরে পিঠা বানানোর ব্যস্ততা বেড়ে যেতো। হরেক রকমের পিঠা তৈরির উৎসবে ছড়িয়ে পড়তো সর্বস্তরের মানুষ। শীতের সকালে গ্রামের প্রতিটি ঘরেই পুলি, নকশী, চিতল, ভাপা,পাটিসা,দুধচিতল,পাখন,খোটা এবং তেলের পিঠাসহ হরকে ধরনের পিটা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন মা,বোনেরা। তবে কর্মচাঞ্চাল্যের এবং কালের বিবর্তনের কারণে এখন গ্রামের মানুষ বাড়িতে পিঠা তৈরির উৎসবমুখর আমেজটি হারাতে বসেছে। এর সঙ্গে অনেক বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। জেলার বরুড়া উপজেলার গৃহিনী ফজিলাতুন্নেছা জানান,  শীত আসলে নানা রকম পিঠা তৈরি করতেন। সারারাত সবাই মিলে ঢেঁকিতে সারারাত চাল গুঁড়া করে আবার সকালে উঠে পিঠা বানাতাম।

    ছেলে-মেয়েরা আনন্দের সাথে পিঠা খেয়ে স্কুলে চলে যেতো এবং বড়রা মাঠে কাজে চলে যেতেন। কয়েক বছর ধরে আগের মতো পিঠা তৈরি করা হচ্ছে না এবং তার সাথে পিঠা তৈরি আমেজটা ও হারিয়েছি। এখন সবাই বাজার থেকে পিঠা কিনে নিয়ে আসে। তাতে কোনো আনন্দ বা  উৎসব থাকে না।

    হরেক রকমের পিঠা আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাচ্ছে। আগের মতো পিঠা তৈরির উৎসব নেই গ্রামের মা বোনেদের মাঝে। তাই মায়ের  হাতের পিঠা এখন শুধুই স্মৃতি।


    add