সমালোচনার মুখে মাঠে না থাকার ঘোষণা দিলেন সর্ব মিত্র চাকমা
- ডেস্ক রিপোর্টার
- প্রকাশ: ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৯:১৬ এএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান, উদ্বাস্তু, ভবঘুরে ও নেশাগ্রস্তদের উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে আলোচনা সমালোচনা চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়তে কাজ করার কথা জানালেও সমালোচনার মুখে আর মাঠে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন সর্ব মিত্র চাকমা।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া এক পোস্টে তিনি ঘোষণা দেন। ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমা লেখেন, যে বৃদ্ধ লোকটিকে দেখছেন, আমি শুরুর দিন থেকে এই লোকটাকে সেই মেট্রো স্টেশন থেকে তুলছি প্রতিরাতে। লোকটা ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়-ই না, উনার সঙ্গে আরেকজন আরো বৃদ্ধ, উনিও মাদকাসক্ত, এই লোকের কাছে এর আগে একবার গাঁজা পাওয়া গেছিল। এই লোকগুলোকে তোলাটা অত্যন্ত কঠিন, তুললে আগায় ৪ কদম। তাই, লাঠিসোঁটা ছাড়া বা ভয়-ভীতি প্রদর্শন না করে তাদের তোলা যায় ই না।
তিনি আরও লেখেন, আমার নিজের এটার জন্য স্বার্থসিদ্ধি নাই, আমি আমার ক্যাম্পাসকে ভবঘুরে-পাগল-গাঁজাখোর মুক্ত দেখতে চেয়েছিলাম শুধু। আজ আমাদের নারী শিক্ষার্থী দু'জন হ্যারাসমেন্টের শিকার হয়েছেন। আমার চাওয়া, এই ভবঘুরে-পাগল-হ্যারাসারমুক্ত ক্যাম্পাস গড়া। ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য বলেন, কিন্তু, এরকম প্রতিনিয়ত বিতর্ক আমার ব্যক্তিগত জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করছে। এভাবে প্রক্টরিয়াল টিমের সঙ্গে রাতে পাহারা দিয়ে উচ্ছেদ করাটা ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্যের কাজ না, আবার আমার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ছে না এমনটাও না।
তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে তিনজন মাদকাসেবীকে তুলতে গিয়েছিলাম, একইভাবে পোস্ট করে আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছে। এদের তাড়ানোর জন্য লাঠি হাতে নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না, যারা মাঠে কাজ করে তারাই জানে এটা কতটুকু কঠিন।
সবশেষ সর্ব মিত্র চাকমা লেখেন, একজন সদস্য হিসেবে আমি নিশ্চয় নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়তে আমার তরফ থেকে কাজ করবো, কিন্তু মাঠে আমি আর থাকছি না। ধন্যবাদ।
এর কিছু সময় পর আও একটি পোস্ট দেন ডাকসুর এই নেতা।
সেখানে তিনি লিখেন- ‘
নির্ঘুম রাত , বেশ কিছুদিন ধরে রাতগুলো কাটছে এমন করে। হঠাৎ রাতে একটা ভিডিও ছড়িয়ে পড়লো , বেশ কড়া সমালোচনা হলো। পাল্টা যুক্তিও আসলো , প্রমাণ হলো- লোকটা মা দ কসেবী ইত্যাদি ইত্যাদি।
দায়িত্বের জায়গাটা বিশাল , যতটা না কর্তৃত্ব। ফিমেল স্টুডেন্ট হ্যারাসমেন্টের শিকার হয়ে তার চোখ বেয়ে পানি পড়ে রাগে-ক্ষোভে-অভিমানে , একজন নারী এবং একই সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহলে আপনি কখনো সে অনুভূতিটা অনুভব করতে পারবেন না।
প্রতিরাতে ভাবি , চার-পাঁচটা পাতা উল্টিয়ে ক্রমের প্রায় শেষে ১৯৭ নং ব্যালটে ভোট দিয়েছে , এটা স্রেফ একটা ক্রসচিহ্ন না আমার কাছে , কত ভরসা করেছে মানুষগুলো!
কাল রাত তিনটার দিকে প্রক্টরিয়াল বডি সহ ভবঘুরে তাড়ানোর সময় বেশ ক'জন বাইক নিয়ে ভিডিও করে। মানুষের আদর্শিক দ্বন্দ্ব থাকতে পারে , দলীয় দ্বন্দ্ব থাকতে পারে , ব্যক্তি সর্ব মিত্রকে চরমভাবে খারাপ লাগতে পারে , অন্তত নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চয় চাইবেন! এ জায়গাটাতেই কেন রাজনীতিটা করতে হবে? হাজারটা জায়গা আছে রাজনীতি করার!
দেখলাম , "অমর একুশে হলের ফুটপাত" পরিচয় না দিয়ে পোস্টদাতা লিখেছে বার্ন ইন্সটিটিউট , যাতে এটাকে বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ার বাইরে বলে প্রচার করা যেতে পারে।
আচ্ছা, সে কি লিখেছে লোকটা স্ট্র্যাচার ছাড়া হাঁটতে পারে, তাও মানুষের সমবেদনা আদায়ে স্ট্র্যাচার ব্যবহার করে প্রতারণা করে? সে কি লিখেছে লোকটার মা দ ক সেবনের কথা?
না....তাদের কাছে নিরাপত্তা নয় , রাজনীতিই সব। তার ক্লাসের নারী ক্লাসমেটের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুই আসে যায় না তার!
শব্দগুলো লিখছি আর একেকটা দীর্ঘশ্বাস পড়ছে.....এতদূর আসতে চাইনি , যতদূর গেলে সব এলোমেলো হয়ে যাবে , প্রতিনিয়ত শত্রু সংখ্যা বাড়বে , আমার অজন্তে।
ভাবছি ,সরে দাঁড়াবো। এভাবে আর পারা যায় না....
রাজনীতিকদের যদিও দু'চারটা মনের কথা সোশাল মিডিয়ায় লেখাটা বেমানান , পুরোপুরি রাজনীতিক না বিধায় লেখার সাহস করলাম।’
কে
- খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতলে মিয়া গোলাম পরওয়ার
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করল অন্তর্বর্তী সরকার
- কুমিল্লায় বিএনপি-এলডিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৫০
- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের ওয়ার্ড নির্বাচনী সমাবেশ
- নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাব পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা
- কুমিল্লা ইপিজেডে বেতন–ভাতার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
- চৌদ্দগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর প্রচারণা শুরু
- চৌদ্দগ্রামে সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা আকতারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
- কুমিল্লা সিটি স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- রাজধানীর কারওয়ান বাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট