বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • আজিম উল্যাহ হানিফ

    গোমতীর তীরে একদিন.

    গোমতীর তীরে একদিন.
    ছবি/কুমিল্লা মেইল

    দিনটি ছিল শুক্রবার। ২২ আগষ্ট ২০২৫।  রোটারেক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা মহানগরের উদ্যোগে কুমিল্লা শহরের পালপাড়া ব্রীজ, গোমতী রেলব্রীজ, আড়াইওরা মন্দির, গোমতী  নদীর পাড় অর্ধদিন ট্যুর এবং বৃক্ষরোপনের আয়োজন করা হয়। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সকাল ৭টার দিকে নাঙ্গলকোট আমার নিজ বাসা থেকে রওয়ানা হয়ে নাঙ্গলকোট বাসস্ট্যান্ড থেকে কুমিল্লা সুপার বাসে উঠি। টমছমব্রীজের আগেই নামার জন্য হঠাৎ মুঠোফোনে কল করেন রোটারেক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা মহানগরের ২০২৫-২৬ সেশনের প্রেসিডেন্ট রাব্বী খন্দকার হৃদয়। তারই কথা মত নামলাম মর্ডাণ হসপিটালের সামনে। তারপর মর্ডান হসপিটালের উত্তর পাশে থাকা নার্সারী থেকে দেখে দেখে প্রায় ৩০টির মত রজনীগন্ধা, শিউলি, জবাসহ নানান জাতের ফুলের চারা ক্রয় করলাম। এরই মাঝে আমাদের সাথে যুক্ত হলেন ক্লাবের পিপি পিন্টু চন্দ্র সরকার। ফুলের চারাগুলো নিয়ে আমরা তিনজন একসাথে একটি অটোভাড়া করে সোজা রওয়ানা হলাম কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া, কুমিল্লা শহরের দু:খ নামে খ্যাত গোমতী নদীর তীরে। সেখানে গিয়ে দেখি আগের থেকেই উপস্থিত আছেন আমাদের ক্লাবের সদস্য সুমাইয়া হিমি ও প্রিয়ন্তু। এরই মাঝে আমাদের সাথে যুক্ত হলেন ক্লাবের চার্টাড প্রেসিডেন্ট ও সাপ্তাহিক স্বদেশ জার্নালের সম্পাদক নয়ন দেওয়ানজী দাদা। এরপর একে একে আসলেন সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। বিশেষ করে শান্ত দেবনাথ। আড়াইওরা মন্দিরের কয়েকজনও আমাদের সাথে যুক্ত হোন, আমাদের মানবিক ও সামাজিক কাজগুলো তাদের মুগ্ধ করে ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে বৃক্ষরোপন। সেই সাথে শুক্রবার হিসেবে মুসলিমদের জুমার দিন। ক্লাবের পূর্ব নির্ধারিত স্থান আড়াইওরা মন্দির, পালপাড়া ব্রীজ, রেলব্রীজ আর গোমতী নদী উপভোগ শেষে আমরা আমাদের প্রধান কাজ বৃক্ষরোপন নানান জায়গায় লাগালাম।  জুমা নামাজের আগেই আমরা বিদায় নিতে হবে। বিদায়ের মূহূর্তে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে অনেকখানি আনন্দ জোগালেন  ক্লাবের সকলের প্রিয় ও চার্টাড প্রেসিডেন্ট নয়ন দেওয়ানজী দাদা। তারপর হাটঁতে হাঁটতে আমরা রেলব্রীজ ওপাশে গিয়ে ক্ষুধার্ত হলে, সবাইকে নয়ন দেয়ানজী দাদা পেয়ারা খাওয়ান। তারপর বিদায়ের পালা। বিদায়ের মূহূর্তে অটো ভাড়া করে সবাই একসাথে কান্দিরপাড় নজরুল এভিনিউ এসে বিদায় নিই। দিনটি সত্যিই সবার কাছে অতুলনীয় ছিল, সেই সাথে দিনটি স্মরণ রাখার মত ছিল। 
     

    লেখক: কবিও কলামিস্ট


    add