বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • নাঙ্গলকোটে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন চিকিৎসক দুই ছেলে

    নাঙ্গলকোটে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন চিকিৎসক দুই ছেলে
    ছবি- কুমিল্লা মেইল

    বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল একদিন দুই সন্তান চিকিৎসক হবেন। গ্রামের মানুষের পাশে থাকবেন। বাবা-মা নেই। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে নিজ গ্রামেই মানুষের সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসক দুই ভাই। ঘটনাটি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ঘোড়াময়দান এলাকার। বাবা মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী গ্রামেজুড়ে ফ্রি চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেছে।জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলার উপজেলা ঘোড়াময়দান গ্রামের আবুল কাশেম মোল্লা ও নিলুফার মোল্লা দম্পতির সন্তানরা এই ফ্রি মেডিক্যাল সেবার ব্যবস্থা করেছে। তাদের মধ্যে ডা. ইব্রাহিম খলিল মেডিসিন, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, বাত-ব্যাথা ও উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ের চিকিৎসা সেবা দেন। আর তার ভাই ডা. খালেদ মোশারফ স্নায়ুরোগ, মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিষয়ে চিকিৎসা সেবা দেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসক দুই ভাইয়ের মামা জহিরুর ইসলাম মজুমদার বলেন, আমার বোন ও ভগ্নিপতি বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের স্বপ্ন ছিল তাদের দুই ছেলে গ্রামের মানুষের পাশে থাকবে। এই আয়োজনে এলাকার তিন শতাধিক মানুষ সেবা নিয়েছে। আমার বোন আর ভগ্নিপতি বেঁচে থাকলে কতই না খুশি হতেন। ভাগিনারা বলেছে এই ফ্রি চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে। এবার তারা ফ্রি চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করেছে। পরের বার ফ্রি মেডিসিনসহ অন্যান্য সেবা দেয়ার চিন্তা রয়েছে। সেবা নিতে আসা পাশ্ববর্তী মানিকমুড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন বলেন, আমরা চিকিৎসা নিতে কুমিল্লা নাহয় ঢাকা যেতে হয়। কিন্তু ফ্রি চিকিৎসা সেবার কথা শুনে আসলাম। অনেক লম্বা লাইন অতিক্রম করে ভাতিজাদের পরামর্শ নিলাম। তবে আমরা চাই তাদের এই সেবা অব্যাহত থাকুক। গ্রামের মানুষ অন্তত্য সেবা পাবে। ডা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের প্রত্যন্ত গ্রাম। এখানকার মানুষ শহরে চিকিৎসা নিয়ে অনেক ব্যয় করতে হয়। কিন্তু আমরা চেষ্টা করেছি ফ্রি সেবা দেয়ার জন্য। আমাদের এই সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও যদি কেউ আমাদের সহযোগীতা নিতে চায় আমরা প্রস্তুত। আমরা বাবা মায়ের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছি। সবাই আমার বাবা মায়ের জন্য দোয়া করবেন।


    add