সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫,

শিরোনাম :
  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতলে মিয়া গোলাম পরওয়ার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করল অন্তর্বর্তী সরকার কুমিল্লায় বিএনপি-এলডিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৫০ চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের ওয়ার্ড নির্বাচনী সমাবেশ নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাব পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা ‎ কুমিল্লা ইপিজেডে বেতন–ভাতার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর প্রচারণা শুরু কুমিল্লা সিটি স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাজধানীর কারওয়ান বাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার অঙ্গীকার-- কাজী দ্বীন মোহাম্মদ
  • কুমিল্লা কবি পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গুনীজন সংবর্ধনা - ২০২৪ সিইউকেপি সম্মাননা

    কুমিল্লা কবি পরিষদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গুনীজন সংবর্ধনা - ২০২৪ সিইউকেপি সম্মাননা
    ছবি/সংগৃহীত

     কবি সাহিত্যিক ও লেখকরা বইয়ের মাধ্যমে অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে পর্যবেক্ষণ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, সভ্যতা-সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন এবং মনুষ্যত্বের মধ্যে যোগসূত্র ঘটান। তাই একজন লেখককে তার লেখার চেয়ে উন্নত মানুষ হতে হবে। এজন্য বইয়ের সাথে সংযোগ ঘটানোর বিকল্প নেই। লেখককে তার লেখার চেয়ে উন্নত মানুষ হতে হবে।

    সেটিই সুন্দর যা দেখে দৃষ্টি জুড়ায়। যা অনুভব করে মুগ্ধ হয় মন। তৃপ্ত হয় হৃদয়ের চারিধার। যা একবার এবং বারবার দেখতে ইচ্ছে হয়। যা দেখে মন ধরে রাখে তাকে। যার স্মৃতি ভুলতে চায় না কেউ এবং যা মানুষ আগ্রহের আনন্দে গ্রহণ করে তা- ই সুন্দর।

    সুন্দরের কাছেই ছুটে যায় মানুষ। ছুটে যায় প্রবল আকর্ষণে। পাওয়ার ইচ্ছে করে তাকে। নিজের জীবনের জড়িয়ে নিতে চায়। জীবনকে জাগ্রত রাখতে চায় সুন্দরের সান্নিধ্যে। তাই সুন্দরের দিকে মানুষের আজীবন পক্ষপাত। তাকে পেলে ভীষণ খুশি। আর না পেলে বাড়ে পাওয়ার তৃষ্ণা। হারালে আফসোস করে খুব। হারিয়ে পেলে খুশির সীমা থাকে না।  শুক্রবারে (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচা মিলনায়তনে কুমিল্লা কবি পরিষদের ( তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গুনীজন সংবর্ধনা -২০২৪-') সিইউকেপি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা প্রখ্যাত কবি প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নজরুল গবেষক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আবদুল হাই শিকদার। সভাপতিত্ব করেন কবি মুজিব ও খাজিনা খাজি। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কবি জাকির আবু জাফর। বিশেষ অতিথি ছিলেন - কবি ও কথাসাহিত্যিক - শাওন আসগর, দৈনিক ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সৈয়দ আহমেদ লাভলু, বরুড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ মাসুদ মজুমদার। দৈনিক যায়যায়দিন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, বাংলা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জ্ঞান সৃজনশীল প্রকাশক মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার, কবি সাহিত্যিক ও সমাজসেবী, গুল আফরোজ আহমেদ, লেখক, সাংবাদিক ও সম্পাদক বকুল আক্তার দরিয়া, কবি ও গল্পকার  কাজী আবু তাহের, কবি ও সংগঠক খোন্দকার জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

    সিইউকেপি সম্মাননা

    সিইউকেপি সাহিত্য সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার ( ২০২৪') সন্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- পিয়ারা বেগম ( কথা সাহিত্যিক ), এস ডি সুব্রত ( প্রবন্ধ ), বকুল আক্তার দরিয়া (ছোট গল্প) সৈয়দ আনোয়ার রেজা ( কবিতা) সুলেখা আক্তার শান্তা (উপন্যাস ), লুৎফুর রহমান চৌধুরী (শিশু সাহিত্য ), মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিকী তালুকদার -ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বাংলা পোস্ট- ( জ্ঞান সৃজনশীল প্রকাশনায়)।

    তাছাড়াও সিইউকেপি বিশেষ সম্মাননানা প্রাপ্তরা হলেন- শিল্প সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের জন্য- কামরুল হাসান সেলিম , (মডেল ও অভিনেতা ), টিটো মুন্সি ( আবৃত্তি শিল্পী ), মেহেদী হাসান আকাশ ( আবৃত্তি শিল্পী ), শ্রাবণী আক্তার ( শিল্পী ), আরিফ মাহমুদ ( শিল্প সংস্কৃতি ), আকিয়া রুমা (শিল্পী-) যারীন সুবাহ ( সংস্কৃতি ) সহ আরও  বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে- কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, কন্ঠ শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পীদের মাঝে সিইউকেপি সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা প্রদান তুলে দেন- প্রধান অতিথি কবি আবদুল হাই শিকদার। সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা কবি প্রাকৃতজ শামীম রুমি টিটন - ও প্রধান আলোচক কবি জাকির আবু জাফরসহ উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরা। আলোচকরা আরও বলেন সমাজ-জীবনে সাম্য-স্বাধীনতা-উদারতা প্রতিষ্ঠাই ছিল কাজী নজরুলের জীবনের ধ্রুক। ধ্যানমগ্ন কাজী নজরুল মানসেও এ বিষয়ে পূর্ণ সচেতনতা লক্ষণীয়। কাজী নজরুল জানতেন এবং বুঝতেন শাসক শ্রেণিই সচেতনভাবে মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেয়। শোষকের ভিত যাতে সম্মিলিত জনগোষ্ঠীর আঘাতে ভেঙে না যায়। তাই তারা সর্বদাই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ জিইয়ে রাখে। ধর্মকে শোষণের মৌল শক্তিতে পরিণত করে। এই শাসক শ্রেণির বিরুদ্ধে এই ভন্ড ধার্মিকদের বিরুদ্ধে এই নব্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছিল কাজী নজরুলের আজীবন সংগ্রাম।


    add