রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬,

শিরোনাম :
  • কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন বরুড়ায় শিশু, নারী ও কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টির দাপট কবে কমবে? আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন পূর্বাভাস সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের ফল, যেভাবে জানা যাবে রেজাল্ট কুমিল্লা নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডে চালু হচ্ছে ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’ বরুড়ায় পুলিশের অভিযানে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার, পালিয়েছে মাদক কারবারিরা কুমিল্লা স্থলবন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী 
  • কুমিল্লায় যুদ্ধ সমাধি খননে মিললো ২৩ জাপানি সেনার দেহাবশেষ

    কুমিল্লায় যুদ্ধ সমাধি খননে মিললো ২৩ জাপানি সেনার দেহাবশেষ
    ছবি- কুমিল্লা মেইল

    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি(যুদ্ধসমাধি) থেকে ২৪ জাপানি সৈনিকের সমাধি খননের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টিতে সৈনিকদের কিছু কঙ্কাল, মাথার খুলি ও দেহাবশেষের আলামত মিলেছে। অপর একটিতে কোনো আলামত মিলেনি।মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক বলেন, ১৩ নভেম্বর ওয়ার সিমেট্রিতে খনন কাজ শুরু হয়। প্রতিটি সমাধি কখনো যন্ত্রপাতি, কখনো হাতে সাবধানতার সঙ্গে খনন করতে হয়েছে। তবে একজনের সমাধিতে কিছু পাওয়া যায়নি। খনন ২৪ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। দুই দিন আগে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এই কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। ২৪টি সমাধির মধ্যে ২৩টিতেই সৈনিকদের দেহাবশেষের বিভিন্ন অংশ পাওয়া গেছে। এগুলো ঢাকায় নিয়ে চলে গেছেন জাপানের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দল। ৮১ বছর পরও সৈনিকদের কিছু কঙ্কাল, মাথার খুলি ও শরীরের বিভিন্ন অংশের বেশ কিছু হাড় পেয়েছি। 
    তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে যে সমাধিতে কোনো আলামত মেলেনি ওই সৈনিকের বয়স খুব কম ছিল। ২৩ জনের সমাধিতে যতটুকু দেহাবশেষের মিলেছে আশা করা হচ্ছে, জাপানে নিয়ে গিয়ে ফরেনসিক টিম পরীক্ষাগারে একটি ইতিবাচক ফল পাবেন। 
    উল্লেখ্য,কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত প্রায় ছয় একর ভূমিতে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি। ১৯৪১ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত বার্মায় ব্রিটিশদের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ১৩টি দেশের ৭৩৮ সেনাকে এখানে সমাহিত করা হয়। এর আগে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষ যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়েছিলেন তার স্বজনরা। এতে ৭৩৭ সৈনিকের দেহাবশেষ থেকে যায়। এই যুদ্ধসমাধি ক্ষেত্র তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন।


    add