শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার চাঁদপুরের ত্রিমোহনায় ধান-চালবোঝাই কার্গো উল্টে ডুবল, অল্পের জন্য রক্ষা ৫ শ্রমিক কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ গেল অটোরিকশাচালক ও কিশোরের কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে প্রায় ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ চার চাকার স্বপ্নে এগিয়ে চলা ভিক্টোরিয়া কলেজের মাইনুল হাসান থানা থেকে ১০০ ফুট দূরে সংঘবদ্ধ চুরি, ১২ লাখ টাকার মালামাল খোয়া কুমিল্লার প্রথম নারী ডিসি রোজী আক্তার
  • বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার

    বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার

    কুমিল্লার বরুড়ায় চলন্ত পিকআপ ব্যবহার করে গরুবাহী গাড়ির গতিরোধ করে সংঘটিত আলোচিত ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার সাহাদাত হোসেনসহ ৬ জন দুর্ধর্ষ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে বরুড়া থানার মগবাড়ি এলাকায় একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তাদের ব্যবহৃত পিকআপ দিয়ে একটি গরুবাহী গাড়ির গতিরোধ করে ৪টি গাভী ও ৪টি বাছুর ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

    ডাকাতির পর মহাসড়কে দায়িত্ব পালনরত পুলিশের টহলদল লাকসাম থানার ফুলুয়া রোড এলাকায় ডাকাতদের পিকআপটিকে থামার সংকেত দিলে তারা তা অমান্য করে। বরং পুলিশের টহল সিএনজিকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে কুমিল্লার বিভিন্ন থানার পুলিশ একযোগে তৎপর হলে লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডাকাতদের পিকআপ শনাক্ত করে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে লালমাই থানার বাগমারা এলাকার ভুশ্চিগামী সড়কে ডাকাতরা তাদের পিকআপের পেছনের অংশ দিয়ে ওসির গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে পুলিশের গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং ডাকাতরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    পরবর্তীতে পুলিশের ব্যাপক অভিযানের মুখে ডাকাতরা লাকসাম থানার মুদাফফরগঞ্জ এলাকায় ডাকাতি করা ৪টি গাভী ও ৪টি বাছুর ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় লাকসাম থানায় মামলা দায়েরের পর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে। বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের প্রধান সাহাদাত হোসেনসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— সাহাদাত হোসেন (৩৪), রুবেল (৪২), ইসমাইল (৪৫), কামাল সিকদার (৪০), নোমান (৪০) ও রাসেল আলী (৩৮)।

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই পেশাদার ও সংঘবদ্ধ অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, চুরি ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ডাকাত দলের সর্দার সাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে ১১টি, রুবেলের বিরুদ্ধে ১৭টি, নোমানের বিরুদ্ধে ৭টি এবং রাসেল আলীর বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে।

    পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সাহাদাত হোসেন পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে ঘটনার বিষয়ে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি


    add