জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইউসুফ সোহেল। কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পাঁচবারের এমপি কায়দাবাদ
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২১ পি এম
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে এবার নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন হেভিওয়েট প্রার্থীরা। একদিকে যেমন আছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, যিনি এলাকায় 'দাদা' নামে পরিচিত, তেমনি তার বিপরীতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল। দীর্ঘদিন বিদেশ থাকার পর কায়কোবাদ সম্প্রতি এলাকায় ফিরলেও স্থানীয় রাজনীতিতে তরুণ, উদ্যমী ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত ইউসুফ হাকিম সোহেল ইতিমধ্যেই ভোটারদের নজর কেড়েছেন।
ইউসুফ হাকিম সোহেল মুরাদনগর উপজেলায় একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেন এবং একজন জনসেবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর সময়ে নেওয়া উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তৃণমূলের ভোটারদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। জামায়াতের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি তাঁকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করে। কায়কোবাদের অনুপস্থিতিতে মুরাদনগরের রাজনীতিতে সোহেল একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
ইউছুফ সোহেলের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ডা: মো: তফাজ্জল হোসেনকে নিয়ে ক্যাম্পেইন করছেন কয়েকজন ব্যাক্তি। অনেকে মনে করছেন জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে দলীয় কোন্দল সৃষ্টি করার জন্যই এই ক্যাম্পেইন। এতে বিরোধী দল সুযোগ নিতে পারে। ড. তোফাজ্জল হোসেনকে স্থানীয়ভাবে মুরাদনগরের সাধারণ মানুষ খুব একটা চেনেন না এবং তিনি স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত নন। ফলে ইউসুফ হাকিম সোহেলের অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা তাঁর চেয়ে অনেক বেশি।
জানা যায়, জামায়াত কর্তৃপক্ষ মুরাদনগর আসনে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত রাজনীতিক ও সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইউসুফ হাকিম সোহেলকে বেছে নিয়েছে, যা ছিল একটি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত।
অপরদিকে, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দীর্ঘদিন এলাকায় অনুপস্থিত ছিলেন। যদিও তিনি জনপ্রিয়, তবুও স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর অনুপস্থিতির কারণে একটি রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
ইউসুফ হাকিম সোহেলকে প্রার্থী করায় স্থানীয় জামায়াত ও সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্চ মনোবল ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে। তারা মনে করেন, সোহেল স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া সম্পর্কে অবগত। ফলে এই আসনে যেকোনো বিদ্রোহ বা অসন্তোষের আশঙ্কা অমূলক। বরং সকলে একজোট হয়ে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।
এই পরিস্থিতিতে, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে এবার নির্বাচনী মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে। ইউসুফ হাকিম সোহেল-এর জনপ্রিয়তার কারণে এই আসনটি এখন আর বিএনপির জন্য 'সহজ জয়' নয়, বরং একটি চ্যালেঞ্জিং লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
- খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতলে মিয়া গোলাম পরওয়ার
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করল অন্তর্বর্তী সরকার
- কুমিল্লায় বিএনপি-এলডিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৫০
- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের ওয়ার্ড নির্বাচনী সমাবেশ
- নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাব পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা
- কুমিল্লা ইপিজেডে বেতন–ভাতার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
- চৌদ্দগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর প্রচারণা শুরু
- চৌদ্দগ্রামে সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা আকতারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
- কুমিল্লা সিটি স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- রাজধানীর কারওয়ান বাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট