বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬,

শিরোনাম :
  • 'ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় তাজমিনকে'- পুলিশ কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ কিশোরীর লাশ উদ্ধার, পাশে পরিত্যক্ত সিএনজিi ভিক্টোরিয়া কলেজ বিতর্ক পরিষদের ‘নবীন বরণ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ভুয়া তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে বুড়িচংয়ের বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতার সংবাদ ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ: কুমিল্লায় মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করবেন ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কুমিল্লার মায়ামী রেস্তোরাঁকে ৫০, জাইতুন রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ কুমিল্লা বাণিজ্য মেলায় ৫ শর্তে সমঝোতা, থাকছে না হাউজি-জুয়া-অশালীন কার্যক্রম তদন্ত কমিটির গোলকধাঁধায় ভিক্টোরিয়া কলেজ কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের বার্ষিক সৃজনশীল সাহিত্য প্রকাশনা উৎসাহের মোড়ক উম্মোচন
  • জামায়াত-শিবিরের কারণে গণ অধিকার পরিষদ ও এনসিপি ক্ষতিগ্রস্ত

    জামায়াত-শিবিরের কারণে গণ অধিকার পরিষদ ও এনসিপি ক্ষতিগ্রস্ত
    ছবি সংগ্রহীত

    ডেস্ক রিপোর্ট।। 

    গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াত এবং শিবিরের অন্যদলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির নীতি বন্ধ করতে হবে। সাম্প্রতিককালে এই নীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।
    শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত ও শিবিরের রাজনীতি মধ্যপন্থী ধারায় চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
    ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত এবং শিবিরের অন্যদলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির নীতি বন্ধ করতে হবে। সাম্প্রতিককালে এই নীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।
    তিনি বলেন, তারুণ্যের এই দুই দলের পাশাপাশি বিভিন্ন দলে তাদের নিজেদের লোকও যুক্ত রেখে সেই দলগুলোকেও তারা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, দলের মধ্যে সন্দেহ-সংশয়ও বাড়িয়েছে। এমনকি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনেও পরিচয় অপ্রকাশ্য রেখে যুক্ত করার নীতির কারণে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
     
    গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত-শিবির তার ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা সময় উপভোগ করছে জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, তারা যদি বাংলাদেশে মধ্যপন্থী ধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চায়, সেটাকেও সাধুবাদ জানাব। কিন্তু তাদের পুরো রাজনীতির নীতি হতে হবে প্রকাশ্য নীতি। অন্যদলে যুক্ত হয়ে সেই দলে প্রভাব বিস্তারের রাজনীতি পুরোপুরি বন্ধ না করলে পুরো দেশের সিস্টেম কলাপস করবে এবং বিরাজনীতিকরণ সৃষ্টি হবে। দেশের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, এতে জামায়াত-শিবিরও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
     
    ইসলামকে রাজনীতিতে হাজির করার ক্ষেত্রেও জামায়াত-শিবিরের সচেতন হওয়া দরকার বলে মনে করেন গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার ভাষ্য, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত ও শিবিরের রাজনীতি মধ্যপন্থী ধারায় চলছে। এই ধারার সাথে ইসলামকে যুক্ত করলে ইসলামিক দল সম্পর্কে মানুষ ভুল মেসেজ পাবে। ইসলামিক রাজনীতি করলে পুরোপুরি সেটাই করা উচিত। আর মধ্যপন্থী রাজনীতি করলে, সেটাই করা উচিত।
     
    তিনি বলেন, পলিটিকাল ইসলাম বলে কিছু নেই। ইসলাম কায়েম ও শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে কোন কৌশল কাজ করে না। বরং এই কৌশলের কারণে আপনি বুঝেশুনে ইসলামকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। এই ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, আমিন।


    add