বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬,

শিরোনাম :
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত জামায়াত নেতা কে দেখতে হাসপাতালে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সমাজকর্মীর করণীয় শীর্ষক কর্মশালা একটি ইজিবাইক ও  অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ী উদ্ধার করে বিজিবি ১০ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ে বাইউস্টে সেমিনার নির্বাচন ঘিরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ‌‘জরুরি নির্দেশনা’ দিলো মাউশি আওয়ামী লীগের নেতা থেকে হয়ে গেলেন জামায়াতের ওয়ার্ড আমির আওয়ামী লীগের মতই জঘন্য কাজ করছে জামায়াত : কায়কোবাদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত করে সন্ধানীর ব্যানারে বিএনপির দলীয় কর্মসূচির অভিযোগ জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ জকসুতেও ছাত্রদলের ভরাডুবি, কীভাবে হজম করবেন তারেক রহমান?
  • কুমেক হাসপাতালেঃ ঔষধ ক্রয়ের নামে কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ পরিচালক ড্যাবের বিরুদ্ধে

    কুমেক হাসপাতালেঃ ঔষধ ক্রয়ের নামে কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ পরিচালক ড্যাবের বিরুদ্ধে
    ছবি/কুমিল্লা মেইল

    নিজস্ব প্রতিবেদক।। 

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে প্রায় ২৩ কোটি টাকার ওষুধ ও মালপত্র কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ কাজে হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ পারভেজসহ টেন্ডার কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাব কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হাসপাতালের জন্য ১৩টি টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ওষুধ কেনা হয়। অভিযোগ উঠেছে, এসব টেন্ডারে বাজারদরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দাম দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, ইনজেকশন থাওপেন্টাল সোডিয়াম (১ গ্রাম, ৪০০০ ভায়েল) কেনা হয়েছে ৫১ লাখ ৯৬ হাজার টাকায়, যেখানে বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকার বেশি নয়। একইভাবে অ্যারোভাসটাটিন ২০ এমজি ট্যাবলেট কেনা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়, যা হাসপাতালের জন্য আগামী ১৫-২০ বছরেও খরচ হবে না। শুধু একটি ইনজেকশনই (প্রতি ভায়েল ১০১ টাকার বাজারমূল্যের বদলে ১ হাজার ২৯৯ টাকা দরে) কিনে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে প্রায় ২৩ কোটি টাকার ওষুধ ও মালপত্র কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ কাজে হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ পারভেজসহ টেন্ডার কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাব কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হাসপাতালের জন্য ১৩টি টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ওষুধ কেনা হয়। অভিযোগ উঠেছে, এসব টেন্ডারে বাজারদরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দাম দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, ইনজেকশন থাওপেন্টাল সোডিয়াম (১ গ্রাম, ৪০০০ ভায়েল) কেনা হয়েছে ৫১ লাখ ৯৬ হাজার টাকায়, যেখানে বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকার বেশি নয়। একইভাবে অ্যারোভাসটাটিন ২০ এমজি ট্যাবলেট কেনা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়, যা হাসপাতালের জন্য আগামী ১৫-২০ বছরেও খরচ হবে না। শুধু একটি ইনজেকশনই (প্রতি ভায়েল ১০১ টাকার বাজারমূল্যের বদলে ১ হাজার ২৯৯ টাকা দরে) কিনে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এরপর গত সোমবার রাতে সংগঠনের মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাব কমিটির সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    অভিযোগের বিষয়ে ড্যাব কুমিল্লা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হায়দার বলেন, ‘এম এম হাসান আমাকে জানিয়েছিলেন—তিনি টেন্ডার কমিটির সভাপতি হতে চান। টেন্ডার-বাণিজ্যের বিষয়ে আমি বিশেষ কিছু জানি না, আমি শুধু যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা-ই করেছি। আমাকে ব্যবহার করে তিনি প্রায় ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, আমি একটি টাকাও নিইনি। এখন দেখানো হচ্ছে যেন আমি চাঁদাবাজ বা টেন্ডারবাজ। আমি মেডিকেলের কোনো কর্মকর্তা নই, তবুও দায় চাপানো হচ্ছে আমার ওপর।’ তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছুর মূল হোতা হাসপাতালের পরিচালক। যাঁর কাছ থেকে টাকা যায়, তিনিই মূলভাবে দায়ী।’

    ড্যাব সভাপতি এম এম হাসান বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তৈরি অভিযোগ। আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। কেন্দ্রীয় ড্যাব চাইলে তদন্ত করুক, আমি স্বচ্ছতার পক্ষে।’

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার ড্যাব সভাপতি মিনহাজুর রহমান তারেক বলেন, ‘কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপির অঙ্গসংগঠনে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ থাকলে তা লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় ড্যাবে জানাতে হবে। ড্যাব কুমিল্লা শাখা-সংক্রান্ত অভিযোগ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ড্যাবে পাঠানো হয়েছে। আমরা চাই, অভিযোগগুলো তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ পারভেজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো অনিয়ম হয়নি। কেউ চাইলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে যাচাই করতে পারেন।’ জীবনরক্ষাকারী ইনজেকশনের অতিরিক্ত দামের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এটিকে প্রিন্টিং মিসটেক বলে দাবি করেন।


    add