সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬,

শিরোনাম :
  • কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে রেড ক্রিসেন্টের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না--- ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ চৌদ্দগ্রামে অর্থবহ রমজান গড়তে আজাদী সংসদের আলোচনা সভা চৌদ্দগ্রামে অর্থবহ রমজান গড়তে আজাদী সংসদের আলোচনা সভা কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে পুত্রবধূ নাঈমা খন্দকারের গণসংযোগে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে পুত্রবধূ নাঈমা খন্দকারের  গণসংযোগে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া  কুমিল্লায় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত স্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন কুমিল্লার সাবেক মেয়র সাক্কু গুজব কে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না বিএনপি- বিএনপি মিডিয়াসেলের প্রধান
  • ইমামের রাজকীয় বিদায়, পেনশন পেলেন ৯ লাখ টাকা

    ইমামের রাজকীয় বিদায়, পেনশন পেলেন ৯ লাখ টাকা
    ছবি/সংগৃহীত

    পল্লী এলাকার একটি মসজিদের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান খান। গ্রামবাসী ভালোবেসে তাকে রাজকীয় আয়োজনের মাধ্যমে অবসরকালীন বিদায় জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে এককালীন পেনশন হিসেবে তাকে দেয়া হয়েছে ৯ লাখ টাকা।প্রায় তিন যুগ ইমামতি শেষে ইমামকে অবসরকালীন রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছেন গ্রামবাসী। বিদায়বেলায় ইমামকে ফুল ছিটিয়ে, ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা ও তার হাতে ৯ লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। পরে ঘোড়ার গাড়িতে করে ইমামকে পৌঁছে দেয়া হয় তার বাড়িতে।মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নতুন কহেলা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিবকে এই রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ইমামের এই রাজকীয় বিদায় অনুষ্ঠান দেখতে এক নজর ভিড় করেন অনেকে।সম্মানিত করতে ঘোড়ার গাড়ি বহরের সঙ্গে সঙ্গী হয়েছে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল। নতুন কহেলা জামে মসজিদ কমিটি এবং গ্রামবাসী এই রাজকীয় বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    জানা যায়, ১৯৯১ সালে ৬শ টাকা বেতনে নতুন কহেলা জামে মসজিদে ইমাম হিবেসে যোগদান করেন মাওলানা মোহাম্দ শাহজাহান খান। বিদায়ের প্রাক্কালে ইমামের বেতন হয় ১৭ হাজার পাঁচশ টাকা। মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান খান ঢাকার লালবাগের একটি মাদরাসা থেকে মাওলানা পাস করেন।

    তার এই দীর্ঘ ইমামতি পেশায় এলাকায় ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি অসংখ্য মানুষকে কুরআনের শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি জানাজা পড়িয়েছেন হাজারের অধিক মানুষের। গ্রামের মানুষ নানা ধরনের উপহার দিয়েও তাকে বিদায় জানান। তার বিদায়ী সফর সঙ্গী হয়ে এই গ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ ৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ইমামের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন। ইমামকে এমন বিদায় জানাতে পেরে খুশি নতুন কহেলা গ্রামবাসীরাও।  নতুন কহেলা গ্রামের বাসিন্দা আবুল হাশেম খান বলেন, ইমান মাওলানা মোহাম্মদ শাজাহান খান তার চাকরি জীবনে গ্রামের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এই ইমামের প্রতি গ্রামবাসীর ভালোবাসা বোঝা যায়।

    বিদায়ী ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ শাজাহান খান বলেন, আমি গ্রামের প্রায় দেড় হাজার মানুষের জানাজা পড়িয়েছি। ৬শ জনকে কোরআন শিক্ষা দিয়েছি। আল্লাহর রহমতে আমি কাজগুলো করতে পেরে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার বিদায়বেলায় এলাকার মানুষ এত বড় আয়োজন করেছে তার জন্য এলাকার মানুষের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।এ ব্যাপারে নতুন কহেলা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেলিম খান বলেন, এমন বিদায় সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি এলাকার মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। ইমামের পরবর্তী জীবন ভালো কাটতে সরকারি চাকরির মতো পেনশন দেয়া হয়েছে।


    add