বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,

শিরোনাম :
  • বুড়িচংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা, বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশনা কুমিল্লায় জলাবদ্ধতায়, প্রধানমন্ত্রীর ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এনসিপি'র ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত কুমিল্লায় স্ত্রীকে গলা কেটে থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ সব প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ভিক্টোরিয়া কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত মো. ফয়সাল গোমতীর পানি বৃদ্ধিতে কুমিল্লার চরাঞ্চল প্লাবিত, পানির নিচে হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত বরুড়ায় চলন্ত পিকআপে ডাকাতি: আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ দুর্ধর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার
  • খুলনায় ইভিএমে কারচুপি ও ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়ার অভিযোগ

    খুলনায় ইভিএমে কারচুপি ও ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়ার অভিযোগ
    ইভিএমে কারচুপি ও ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা

    ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনকে (ইভিএম) জাদুর বাক্স অভিহিত করে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মো: শফিকুল ইসলাম মধু তা দিয়ে কারচুপি করা হচ্ছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। নৌকা ছাড়া অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    সোমবার (১২ জুন) পৌনে ১১টার দিকে নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের খুলনা কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    মো: শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, ‘ভোটের কোনো সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। নৌকা ছাড়া অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। অথচ নৌকার ভোটার হলে তাকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। আমি এখনো বলি, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি-না সন্দেহ।’

    তিনি বলেন, ‘আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও বলেছিলাম যে ইভিএম হচ্ছে একটি জাদুর বাক্স। আমি কয়েকটা কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছি, সেখানে ইভিএম মেশিন নষ্ট হয়েছে। পল্লীমঙ্গল ও নয়াবাটি কেন্দ্রে মেশিনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দায়িত্ব পালন করছে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেছে মেশিনে ডিস্টার্ব দিয়েছে। দুই ঘণ্টায় ভোটকাস্ট হয়েছে ৩০টি। আমার সন্দেহ হচ্ছে, এখানে কোনো কারচুপি আছে কি-না। খুলনা-২ সংসদীয় আসনের ভোটারদের ইভিএম সম্পর্কে কিছু ধারণা আছে। কিন্তু খুলনা-৩ আসনের ভোটারদের মোটেও ধারণা নেই। তারা বলেছে, একটা ভোট দিতে গেলে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় লেগে যায়। বেশিরভাগই ইভিএম এক ঘণ্টা চালাতে পারেনি, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

    তার অ্যাজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আমার অ্যাজেন্টকে বের করে দিয়েছে। পরে আমি কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে কোনো উত্তর দিতে পারেনি।’

    কোনো কোনো কেন্দ্রে তার অ্যাজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অবশ্য আর্থিক সঙ্কটে সব বুথে তিনি অ্যাজেন্ট দিতে পারেননি বলে স্বীকার করেন।

    ইভিএম নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো: আব্দুল আউয়াল অভিযোগ করে বলেন, ‘মানুষের ভোট দিতে সমস্যা হচ্ছে। সঠিকভাবে ভোট দিতে পারছে না। কোনো কোনো জায়গায় হাতপাখায় ভোট দিলে নৌকা আসছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমার পোলিং অ্যাজেন্টদের মাধ্যমে অভিযোগ এসেছে, খুলনার খালিশপুর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের স্যাটেলাইট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হাতপাখায় ভোট দিলে নৌকায় আসছে। কিছু কিছু মেশিনে বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। মেশিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ঠিকমতো কাজ করছে না।

    সকাল ১০টায় নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়াখামার এলাকার দারুল কোরআন বহুমুখী মাদরাসা কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে মো: আব্দুল আউয়াল এসব কথা বলেন।


    add