সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫,

শিরোনাম :
  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতলে মিয়া গোলাম পরওয়ার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করল অন্তর্বর্তী সরকার কুমিল্লায় বিএনপি-এলডিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৫০ চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের ওয়ার্ড নির্বাচনী সমাবেশ নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাব পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা ‎ কুমিল্লা ইপিজেডে বেতন–ভাতার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর প্রচারণা শুরু কুমিল্লা সিটি স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাজধানীর কারওয়ান বাজার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার অঙ্গীকার-- কাজী দ্বীন মোহাম্মদ
  • কুমিল্লায় মৃত ব্যক্তিকে ৩ দিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ

    কুমিল্লায় মৃত ব্যক্তিকে ৩ দিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ
    ছবি/সংগ্রহীত

    কুমিল্লা নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৬ মার্চ) রাতে কুমিল্লা নগরীর ট্রমা হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই নিহতের আত্মীয় স্বজনেরা ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে দাবি তুলে হাসপাতালে ভাংচুর করে। নিহত ইমরান হোসেন (২১) কুমিল্লা নগরীর ১৪ নং ওয়ার্ড ২য় মুরাদপুর এলাকার দুবাই প্রবাসী হুমায়ুন মিয়ার ছেলে।  নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলো। পরে, কুমিল্লা নগরীর ট্রমা হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমানের কাছে চিকিৎসা নিয়ে আসলে চিকিৎসক ইসমাইলকে সার্জারি করার পরামর্শ দেন। পরে, শুক্রবার (১৪ মার্চ) সকাল আটটায় সার্জারি করার উদ্দেশ্যে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। চার ঘণ্টার অপারেশনের সময়ের কথা জানালেও অপারেশন সম্পন্ন হয় সাত ঘণ্টায়। পরে, রোগীর অবস্থায় অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। পরে, ঘটনার দিন রবিবার বিকালে রোগীর কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় রোগীর স্বজনরা রোগী মারা গেছে দাবি করলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে লাইফ সাপোর্টে নেয়ার কথা বলে। বিকাল পার হয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে নি। বরং রোগীকে আরো পরীক্ষা নিরিক্ষা ও ঔষধ আনায় রোগীর স্বজনদের দিয়ে।

    নিহত ইসমাইলের চাচা জাকির হোসেন বলেন, আমার ভাতিজাকে তারা সামান্য অপারেশনের কথা বলেছিলো। কিন্তু, তারা সাত ঘণ্টা ওটি তে রেখেছিলো। পরে রোগীর সমস্যা হয়েছে এ কথা বলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার কথা বলে। আমরা রাজি হই। কিন্তু লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার পর প্রায় ৩ দিন হয়ে গেলেও তারা আমাদের রোগীকে দেখতে দেয় নি। পরে নানা অযুহাতে আইসিউতে ঢুকে দেখি যে আমাদের রোগী মৃত। কিন্তু তারপরেও তারা আমাদের কাছ থেকে মৃত রোগীর চিকিৎসা করানোর জন্য পরীক্ষা ফি ও ঔষধ কিনিয়েছে আমাদেরকে দিয়ে। তারা আমাদেরকে ২৫ হাজার টাকার অপারেশনের কথা বলে তারা আমাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেয় ধাপে ধাপে। একজন রোগীর ৩ দিনে লাখ টাকার ঔষধ কিভাবে লাগে। তাদের গাফিলতির কারণে আমাদের রোগী মারা গেছে। আমরা এর বিচার চাই।

    এদিকে, রোগী মারা যাওয়ার খবর জানাজানি হলে বিক্ষুদ্ধ স্বজনেরা হাসপাতাল ভাংচুত

    ডা. আতাউর রহমান -
    শুক্রবার সকাল ৮ টায় অপারেশন।
    মারা গেছে ৫ টা বাজে, কিন্তু সন্ধ্যা পার হয়ে গেলেও তারা জানায় নি।

    মারা যাওয়ার পরেও ঔষধ আনতে বলেছিলো তারা। আমরা রোগী মারা গেছে দাবি করার পর তারা ঔষধ ফেরত দিয়ে গেছে। এটা রাত নয়টার ঘটনা। ডাক্তারের কেউ আমাদের সাথে কথা।বলতেও চায় না
    তথ্য দিয়ে রাখলাম


    add