সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, , ১০ জ্বিলহজ্ব ১৪৪৫

বাজারে এসেছে সাতক্ষীরার রসালো হিমসাগর

 বাজারে এসেছে সাতক্ষীরার রসালো হিমসাগর
ছবি- সংগৃহীত

বাজারে উঠতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার রসালো হিমসাগর আম। জেলা প্রশাসনের সংগ্রহ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বুধবার থেকে আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। ইতোমধ্যে বাজার আমে সয়লাব। বুধবার (২২ মে) সাতক্ষীরা বড়বাজারে গোবিন্দভোগ ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা মণ আর গোপালভোগ ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছিল। প্রথম দিন বাজারে আসায় হিমসাগরের দাম কিছুটা চড়া ছিল। সাতক্ষীরার এই বিখ্যাত আম মণপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২,৭০০ থেকে ৩,০০০-এর মধ্যে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আকার অনুযায়ী আমের দামদর করা হচ্ছে। যেসব আম আকারে বড় সেগুলোর দরও বেশি।বিক্রেতা আকিব হোসেন বলেন, “এবার ১৫ লাখ টাকার বাগান কিনেছি। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ফলন কম হয়েছে। তবুও আশা করছি, বিক্রি করে লাভবান হতে পারব।”তিনি আরও বলেন, “এবার কিছু গাছে ফলন অনেক ভালো হয়েছে। আবার যেগুলোতে হয়নি, সেগুলোতে একেবারেই হয়নি।” ফলন কম হওয়ার কারণে হিসেবে এই ব্যবসায়ী বলেন, “এ বছর প্রচুর গরম পড়েছে। ফলে আম গাছ থেকে ঝরে গেছে। মুকুল আসা থেতে শুরু করে আম পাড়া পর্যন্ত একই মাত্রায় গরম ছিল। সে কারণে ফলন অনেক কম।” সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হাজার মেট্রিক টন। সদর উপজেলায় ১,২৩৫ হেক্টর, কলারোয়ায় ৬৫৮ হেক্টর, তালায় ৭১৫ হেক্টর, দেবহাটায় ৩৮০ হেক্টর, কালিগঞ্জে ৮২৫ হেক্টর, আশাশুনিতে ১৪৫ হেক্টর ও শ্যামনগরের ১৬০ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪,১১৮ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।জেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত আমবাগানের সংখ্যা ৫,২৯৯টি। তালিকাভুক্ত চাষি আছেন ১৩,১০০ জন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বুধবার থেকে সাতক্ষীরায় হিমসগার আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এর আগে ৯ মে থেকে স্থানীয় কয়েকটি জাতের আম সংগ্রহ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ২৯ মে ল্যাংড়া ও ১০ জুন আম্রপালি সংগ্রহ শুরু হবে।”

তিনি বলেন, “মনে রাখতে হবে গাছের সব আম একসঙ্গে পাকে না।”রং আসার আগে আম না পাড়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

 

সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন