সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, , ১০ জ্বিলহজ্ব ১৪৪৫

বরুড়া উপজেলা নির্বাচন।। হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী মইনুল বললেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে প্রতিপক্ষ

বরুড়া উপজেলা নির্বাচন।। হেলিকপ্টার প্রতীকের প্রার্থী মইনুল বললেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে প্রতিপক্ষ
ছবি- কুমিল্লা মেইল

আগামী ২১ মে বরুড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে  প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন হেলিকপ্টার প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এ এন এম মইনুল ইসলাম। তিনি বলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন সজ্জন ব্যক্তি। তিনি কোনো অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত না থাকলেও আত্মীয়তার পরিচয় দিয়ে এলাকায় তার নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এতে করে মন্ত্রী ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।  শুক্রবার (১৭মে) দুপুরে স্থানীয় একটি কনভেনশন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি  এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য জসীম উদ্দিন, খোসবাস উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হোসেন, শিলমুরি উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।মইনুল ইসলাম বলেন- আনারস প্রতীকের প্রার্থী হামিদ লতিফ ভূঁইয়া কামালকে সব সময় প্রটোকল দিয়ে রাখছে র‌্যাব-পুলিশ। অথচ অন্য প্রার্থীদের বেলায় এমনটি হচ্ছে না। এতে করে নির্বাচন কতটুকু নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন ভোটাররা। তিনি জানান, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই তার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সর্বশেষ গত ১৫ মে শাহপুর এলাকায় তার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এতে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ছফিউল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হলেও প্রশাসনের ভূমিকা ছিলো নির্লিপ্ত। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। প্রায় প্রতিদিনই হয়রানি করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা নেই। মূলত বিএনপি-জামায়াতের অনুসারীরা তার ওপর ভর করে ভোটারদের নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং ভোটের দিন কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ১৩৬টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। বর্তমান উপজেলার  চেয়ারম্যান ও প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল হাকিম পুত্র আরও বলেন- জনগণের প্রতি আমার আস্থা আছে। তাই শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবো। কারণ আমার প্রয়াত বাবা চারচারবার এই এলাকার এমপি ছিলেন। নির্বাচনে কখনও হারলেও পরদিনই নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িছেন এবং মাঠে ছিলেন।

এ বিষয়ে আনারস প্রতীকের প্রার্থী  হামিদ লতিফ ভূইয়া কামাল- পরাজয়ের ভয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন মইনুল হোসেন। কারও  নাম ভাঙ্গিয়ে নয়, জনগণের ভালোবাসা নিয়েই ভোটে জয়ী হবো বলে প্রত্যাশা করছি।