রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, , ১৮ জ্বিলক্বদ ১৪৪৫

২৮ এপ্রিল শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে

কুবির ডাস্টবিনে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা রাখলো কারা?

কুবির ডাস্টবিনে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা রাখলো কারা?
ছবি- কুমিল্লা মেইল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম. আবদুল মঈনের কুশপুত্তলিকা তৈরি করে পদত্যাগ দাবি করে আসছেন শিক্ষকদের একাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও গোল চত্বরের পাশে ডাস্টবিনের ওপর এ কুশপুত্তলিকা সাঁটানো হয়। শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে গোলচত্বর ও প্রধান ফটকের সামন এ চিত্র দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, কুশপুত্তলিকার মাথার অংশে রয়েছে উপাচার্যের ছবি। তার মাথায় একটি শিং রয়েছে। কুশপুত্তলিকার হাত দুইটি প্রসারিত। বুকের মাঝে ঝুলানো ব্যানারে দেখা যায় ভিসি কনুই দিয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষককে মারছেন। এছাড়াও উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে পদত্যাগ করা শিক্ষকদের পদত্যাগপত্রের ছবিসহ ব্যানার ঝুলিয়েছেন তারা। অন্যদিকে গত পাঁচ দিন ধরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শিক্ষক সমিতির সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, এ উপাচার্য আসার পর থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি একটা আমদানিকৃত পঁচা মাল। একজন উপাচার্য হয়ে তিনি মিথ্যাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। আজকে আমরা ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ হিসাবে ডাস্টবিনের ওপর তার কুশপুত্তলিকা স্থাপন করেছি। তার নির্দিষ্ট জায়গায় সে স্থান পেয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা শিক্ষকদের সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল শিক্ষকদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করা হয়েছে। এ নিয়েও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। আজকে তিনি ক্যাম্পাসে না এসেও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী গ্রহণ করছেন। এর প্রতিবাদে আমরা তার কুশপুত্তলিকা স্থাপন করেছি। অবশ্য এ ব্যাপারে উপাচার্য আবদুল মঈনের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ইন্ধনে শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে।